বর্তমান যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে অনেকসময় দেখা যায় সন্তানের সঙ্গে তার বাবা মায়ের মানসিক দিক থেকে কোনো টান গড়ে ওঠেনি৷ শিশুটি যদি এক মানসিকতার হওয়ার চেষ্টা করে তার বাবা ও মা তাকে তাদের নিজেদের মতন করে গড়ে তুলতে চান৷ আর এতে ঘটে বিপত্তি। এভাবেই শিশুদের মনের কথা না শোনার জন্য তারা ধীরে ধীরে জেদি হয়ে ওঠে। একসময় জেদ এতটাই মাত্রাতিরিক্ত হয়ে যায় যা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই অল্পতেই আপনার সন্তানকে জেদ করার কারণে বকে নয়, তাকে বুঝিয়ে মানুষ করুন।
যদি কোনো পাবলিক প্লেসে আপনার সন্তান জেদ করে তবে তাকে বকে বা মারধোর করে নয়, বুঝিয়ে শান্ত করুন। এমন দেখা যায় শিশুরা জেদ করলে তার বাবা মা সঙ্গে সঙ্গে তার আবদার পূরন করেন। কিন্তু এটা করা উচিত নয়। এতে সন্তানের উপর খারাপ প্রভাব পড়ে। তাই তাকে সঙ্গে সঙ্গে সেই জিনিসটি না দিয়ে তাকে ভালো করে শান্তভাবে বোঝাতে হবে।
আমরা বড়রা যেভাবে নিজেদের অনুভূতিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি শিশুরা তা পারে না। তাই সামান্য কিছুতেই তাদের মধ্যে চলতে থাকা অনুভূতিগুলি বেরিয়ে আসে। তারা তাদের হতাশা, ক্ষোভ প্রকাশ করে জেদের মধ্যে দিয়ে। সমীক্ষা বলছে প্রধানত তিন থেকে সাত বছরের বাচ্চাদের মধ্যে জেদের প্রভাব লক্ষ করা যায়। তবে এইসময় বাবা যদি ঠান্ডাভাবে শান্ত হয়ে শিশুকে না বোঝান তবে ফল হতে পারে বিপরীত।
তাই নিজে শান্ত থেকে সন্তানকে বোঝাতে হবে। সন্তান যখন জেদ করতে শুরু করবে তখন তার মন অন্য দিকে ঘুরিয়ে দিতে হবে। কোনো ইলেকট্রনিক গ্যাজেট নয়, বরং খেলনা বা অন্য কিছু দিয়ে তাকে শান্ত করতে হবে। তাই সন্তান জেদ করলে তাকে মারধর করে তাকে বোঝানো উচিত নয়৷ এতে তার আরও বিগড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আপনার সন্তান সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার মধ্যে তাকে একটি রুটিন বানিয়ে দিন। তবে সে একটি নিয়মমাফিক জীবনে প্রবেশ করবে। এরফলে তার মধ্যে একটি নিয়মের প্রতি অবিচল থাকার মানসিকতা তৈরি হবে। এর পাশাপাশি সন্তানকে প্রশ্ন করুন তার কি ইচ্ছে, সে কি করতে চায় জানার চেষ্টা করুন। তার সঙ্গে বন্ধুর মতন মিশুন তবে সে সহজ হবে এবং জেদি মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে সহজেই।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.