হিন্দু ধর্মে প্রদীপ জ্বালানো কেবল একটি আচার নয়, বরং এটি শুভ শক্তিকে আহ্বান করার এক পবিত্র মাধ্যম। সকাল–সন্ধ্যায় ঘরে প্রদীপ জ্বালানো মানেই অশুভ শক্তির বিনাশ ও ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বৃদ্ধি। বিশেষ করে বজরংবলি হনুমানজির আরাধনায় কোন ধরনের প্রদীপ ব্যবহার করা হবে, তা শাস্ত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। শাস্ত্রমতে, ভিন্ন ভিন্ন তেলের প্রদীপের আলাদা আলাদা প্রভাব রয়েছে—যা জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি এনে দেয়।
ঘিয়ের প্রদীপ
গরুর ঘিয়ের প্রদীপ অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। প্রতিদিন উপাসনাস্থলে বিশুদ্ধ ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালালে আর্থিক সমস্যা দূর হয় এবং ঘরে শান্তি বিরাজ করে। বিশেষ করে শুক্রবার সন্ধ্যায় উত্তর-পূর্ব কোণে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালালে মা লক্ষ্মীর কৃপা লাভ করা যায়।
আরও পড়ুন:তুলা রাশির জাতকদের জন্য ২০২৬: ধৈর্য, পরিশ্রম ও স্থিতির বছর
আরও পড়ুন:তুলসী গাছ বেশি ছড়িয়ে পড়লে কী করবেন? প্রেমানন্দ মহারাজের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
সরিষার তেলের প্রদীপ
সরিষার তেলের প্রদীপ সূর্যদেবকে প্রসন্ন করে। ভৈরব দেবের সামনে এই প্রদীপ জ্বালালে শত্রুর কুনজর থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আবার সন্ধ্যাবেলায় অশ্বত্থ গাছের নিচে এই প্রদীপ জ্বালালে পিতৃদেবতার আশীর্বাদ মেলে।
তিলের তেলের প্রদীপ
শনির দোষ কাটাতে তিলের তেলের প্রদীপ অত্যন্ত কার্যকর। শনিবার শামি গাছের নিচে এই প্রদীপ জ্বালালে শনিদেব প্রসন্ন হন। পাশাপাশি মঙ্গলবার ও শনিবার অশ্বত্থ গাছের নিচে তিলের প্রদীপ জ্বালালে জীবনের বাধা দূর হয়।
মহুয়া তেলের প্রদীপ
মহুয়া তেলের প্রদীপ দাম্পত্য জীবনে মধুরতা আনে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা ও বোঝাপড়া বাড়াতে বাড়ির মন্দিরে এই প্রদীপ জ্বালানো শুভ বলে মনে করা হয়।
জুঁই তেলের প্রদীপ
হনুমানজির আরাধনায় জুঁই তেলের প্রদীপ বিশেষ ফলদায়ক। মঙ্গলবার ও শনিবার হনুমান মন্দিরে গিয়ে ত্রিকোণ প্রদীপে জুঁই তেল জ্বালিয়ে হনুমান চালিসা পাঠ করলে বজরংবলির কৃপা লাভ হয়।
শাস্ত্রমতে সঠিক তেল ও সঠিক দিনে প্রদীপ জ্বালালে জীবনে শান্তি, শক্তি ও সৌভাগ্যের দ্বার খুলে যায়।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.