সুশান্ত মামলায় ক্লিনচিট, ৬ বছর পর মুক্ত রিয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট—অভিযোগের অবসান

২০২০ সালের ১৪ জুন Sushant Singh Rajput-এর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে দেশজুড়ে তুমুল আলোড়ন তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন তাঁর প্রেমিকা Rhea Chakraborty এবং তাঁর পরিবার। নানা অভিযোগ, তদন্ত এবং সামাজিক মাধ্যমের বিচার—সব মিলিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বিতর্কের মুখে থাকতে হয়েছে অভিনেত্রীকে।

মামলার প্রাথমিক পর্যায়ে রিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ ওঠে। তাঁর বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতন, এমনকি সুশান্তের অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগও আনা হয়েছিল। পাশাপাশি মাদক সংক্রান্ত তদন্তে Narcotics Control Bureau (এনসিবি) তাঁর এবং তাঁর ভাই Showik Chakraborty-এর কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেয়।

এই পরিস্থিতিতে প্রায় ২৭ দিন জেলেও কাটাতে হয় রিয়াকে। জেল থেকে মুক্তি পেলেও বিতর্ক এবং সোশ্যাল মিডিয়ার সমালোচনা থেকে মুক্তি পাননি তিনি। দীর্ঘদিন নিজেকে লাইমলাইট থেকে দূরে রাখলেও ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা শুরু করেন।

এরই মধ্যে বড় মোড় আসে যখন Central Bureau of Investigation (সিবিআই) তদন্তের পর রিয়া এবং তাঁর ভাইকে ক্লিনচিট দেয়। এতে দীর্ঘদিনের অভিযোগের চাপ অনেকটাই কমে।

তবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ থাকা নিয়ে আইনি জটিলতা চলছিল। অবশেষে বিশেষ আদালতে রিয়ার আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এনসিবি ১৯৮৫ সালের নারকোটিক ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্ট্যান্সেস আইনের নির্দিষ্ট ধারা যথাযথভাবে অনুসরণ করেনি। নিয়ম অনুযায়ী, অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেওয়ার কথা থাকলেও তা করা হয়নি।

আইনজীবীদের এই যুক্তি গ্রহণ করে আদালত নির্দেশ দেয়, রিয়া ও শৌভিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি ‘ডি-ফ্রিজ’ করা হোক। প্রায় ছয় বছর পর এই সিদ্ধান্তে বড় স্বস্তি মিলেছে অভিনেত্রীর জীবনে।

এই রায়ের ফলে শুধু আইনি দিক থেকেই নয়, ব্যক্তিগত এবং সামাজিক ভাবমূর্তির ক্ষেত্রেও বড় স্বস্তি পেলেন রিয়া চক্রবর্তী। দীর্ঘদিন ধরে যে বিতর্ক ও ‘ডাইনি অপবাদ’ তাঁকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল, তা থেকে মুক্তির পথ এখন অনেকটাই পরিষ্কার।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক