Lifestyle: কাঁচা আমেই ত্বকের তারুণ্য! ঘরোয়া যত্নে কমতে পারে বয়সের ছাপ

ত্বকের যত্নে এখন বাজার ভরতি নানা প্রসাধনী। ‘গ্লাস স্কিন’ পাওয়ার আশায় অনেকেই দামি ক্রিম, সিরাম কিংবা ফেসপ্যাক ব্যবহার করছেন নিয়মিত। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকের পরিচর্যায় এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে, যা কম খরচেই দারুণ ফল দিতে পারে। সেই তালিকায় অন্যতম কাঁচা আম।

গ্রীষ্মের এই জনপ্রিয় ফল শুধু খাওয়ার জন্যই নয়, ত্বকের যত্নেও কার্যকর বলে মনে করছেন সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কাঁচা আমে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান ত্বকের মরা কোষ দূর করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ত্বকের জেল্লা বাড়ানো এবং বয়সের ছাপ কমাতেও এর ভূমিকা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

কেন উপকারী কাঁচা আম?

Lifestyle: কাঁচা আমেই ত্বকের তারুণ্য! ঘরোয়া যত্নে কমতে পারে বয়সের ছাপ
Lifestyle: কাঁচা আমেই ত্বকের তারুণ্য! ঘরোয়া যত্নে কমতে পারে বয়সের ছাপ

কাঁচা আমে রয়েছে ‘ম্যাঙ্গিফেরিন’ নামের একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান। এটি ত্বকের উপর জমে থাকা মৃত কোষ সরাতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক দেখতে আরও পরিষ্কার ও সতেজ লাগে। যাঁদের ত্বক খুব সংবেদনশীল, তাঁদের ক্ষেত্রেও এটি তুলনামূলকভাবে মৃদু উপায়ে কাজ করতে পারে।
এ ছাড়া কাঁচা আম ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ। এই ভিটামিন ত্বকে কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কোলাজেনের মাত্রা কমতে থাকে, যার ফলে ত্বক ঢিলে হয়ে যায় এবং বলিরেখা দেখা দেয়। নিয়মিত যত্নে কাঁচা আম ব্যবহার করলে ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।

রোদে পোড়া দাগ কমাতেও কার্যকর
প্রখর রোদ ও অতিবেগুনি রশ্মির কারণে অনেকের মুখে ট্যান বা কালচে দাগ দেখা দেয়। কাঁচা আমের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বককে সেই ক্ষতির হাত থেকে কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে। বিশেষ করে রোদে পোড়া ত্বকে কাঁচা আমের শাঁস ব্যবহার করলে ত্বক কিছুটা ঠান্ডা অনুভব করে এবং ট্যান হালকা হতে পারে।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্যও উপকারী
গরমকালে ত্বকে তেলের পরিমাণ বেড়ে যায়। এর ফলে রোমকূপ বড় দেখায় এবং ব্রণ হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ে। কাঁচা আম প্রাকৃতিক অ্যাস্ট্রিনজেন্ট হিসেবে কাজ করে বলে মনে করা হয়। এটি অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে এবং ত্বককে তুলনামূলকভাবে মসৃণ দেখাতে সহায়ক হতে পারে।

কীভাবে ব্যবহার করবেন কাঁচা আম?

১) কাঁচা আমের ফেসপ্যাক
কাঁচা আমের শাঁস ভালো করে চটকে সরাসরি মুখে লাগাতে পারেন। ৫ থেকে ১০ মিনিট রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চাইলে এর সঙ্গে সামান্য দই ও মধু মিশিয়েও ব্যবহার করা যেতে পারে। সপ্তাহে দু’বার ব্যবহার করলে ত্বক সতেজ দেখাতে পারে।

২) ঘরোয়া টোনার
খোসাসহ কাঁচা আমের কয়েকটি টুকরো জলে ফুটিয়ে নিন। জল অর্ধেক হয়ে এলে ছেঁকে ঠান্ডা করুন। পরে তাতে সামান্য গোলাপজল মিশিয়ে বোতলে ভরে রাখতে পারেন। তুলোয় নিয়ে মুখে ব্যবহার করলে ত্বক সতেজ অনুভূত হতে পারে।

ব্যবহারের আগে সতর্কতা
যাঁদের ত্বক খুব সংবেদনশীল বা অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তাঁরা আগে হাতে সামান্য লাগিয়ে পরীক্ষা করে নিন। কোনও রকম জ্বালা বা অস্বস্তি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন। এছাড়া নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করাও জরুরি।

প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার প্রবণতা এখন ক্রমশ বাড়ছে। সহজলভ্য কাঁচা আমও সেই তালিকায় জায়গা করে নিচ্ছে। তবে যে কোনও ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারের ক্ষেত্রেই সচেতন থাকা প্রয়োজন।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক