Lifestyle: আপেল না খেলেও চিন্তা নেই! ফাইবারে ভরপুর এই ৫ ফল রাখতে পারেন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়

স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় আপেলের নাম প্রায় সব সময়ই প্রথম সারিতে থাকে। প্রচলিত ধারণা, নিয়মিত আপেল খেলে নানা ধরনের অসুখের ঝুঁকি কমতে পারে। তবে অনেকেই আপেলের স্বাদ পছন্দ করেন না বা নিয়মিত খেতে চান না। তাঁদের জন্য সুখবর হলো, এমন বেশ কিছু ফল রয়েছে যেগুলিতে আপেলের তুলনায় আরও বেশি পরিমাণে খাদ্যআঁশ বা ফাইবার পাওয়া যায়।

কেন ফাইবার এত গুরুত্বপূর্ণ?
ফাইবার শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি পুষ্টি উপাদান। এটি হজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে কার্যকর ভূমিকা নেয়। একই সঙ্গে অন্ত্রের উপকারী জীবাণুর বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, ফলে পরিপাকতন্ত্র সুস্থ থাকে।

Lifestyle: আপেল না খেলেও চিন্তা নেই! ফাইবারে ভরপুর এই ৫ ফল রাখতে পারেন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়
Lifestyle: আপেল না খেলেও চিন্তা নেই! ফাইবারে ভরপুর এই ৫ ফল রাখতে পারেন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়

এ ছাড়া উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে, ফলে অযথা বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সুবিধা হয়। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও ফাইবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে হৃদ্‌রোগ ও টাইপ-২ ডায়াবিটিসের ঝুঁকি হ্রাস করতেও সহায়ক হতে পারে।

১. পেয়ারা
ফাইবারের অন্যতম সেরা উৎস হলো পেয়ারা। এক কাপ পেয়ারা থেকে প্রায় ৯ গ্রাম ফাইবার পাওয়া যেতে পারে। শুধু তাই নয়, এতে প্রোটিন, ভিটামিন সি এবং নানা ধরনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। সরাসরি কামড়ে বা টুকরো করে— দুই ভাবেই এটি খাওয়া যায়।

২. অ্যাভোকাডো
স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের জন্য পরিচিত অ্যাভোকাডোতে ফাইবারের পরিমাণও বেশ উল্লেখযোগ্য। অর্ধেক অ্যাভোকাডোতেই প্রায় ৭ গ্রাম ফাইবার থাকে। সালাদ, টোস্ট, স্যান্ডউইচ কিংবা পাস্তার সঙ্গে এটি সহজেই খাওয়া যায়।

৩. নাশপাতি
মাঝারি আকারের একটি নাশপাতিতে প্রায় ৫.৫ গ্রাম ফাইবার পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি ভিটামিন সি, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

৪. পারসিমন
কম পরিচিত হলেও পারসিমন একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল। একটি মাঝারি আকারের ফলে প্রায় ৬ গ্রাম ফাইবার থাকে। ভিটামিন এ, সি, ই ও কে-এর পাশাপাশি পটাশিয়াম, কপার এবং ম্যাঙ্গানিজও এতে ভালো পরিমাণে পাওয়া যায়।

৫. ব্ল্যাকবেরি
ব্ল্যাকবেরি ছোট হলেও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এতে প্রচুর ফাইবারের পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। জ্যাম, জেলি, কেক কিংবা বিভিন্ন ডেজার্টের টপিং হিসেবে এই ফল ব্যবহার করা হয়। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে।

শেষকথা
আপেল নিঃসন্দেহে পুষ্টিকর ফল, তবে সেটিই ফাইবারের একমাত্র উৎস নয়। খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য আনতে চাইলে পেয়ারা, অ্যাভোকাডো, নাশপাতি, পারসিমন ও ব্ল্যাকবেরির মতো ফলও রাখতে পারেন। সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ফল খেলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও পর্যাপ্ত ফাইবার পেতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়ক।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক