Lifestyle: মাত্র ৩ অভ্যাসেই বাড়ছে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি! দক্ষিণ এশীয়দের কেন বেশি সতর্ক থাকা জরুরি

ফ্যাটি লিভারকে অনেকেই স্থূলতা বা অতিরিক্ত মদ্যপানের সঙ্গে যুক্ত করে দেখেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে চিকিৎসকদের একাংশের মতে, দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে স্বাভাবিক ওজন থাকা সত্ত্বেও এই রোগের প্রবণতা বাড়ছে। শরীরের গঠন, বংশগত বৈশিষ্ট্য এবং জীবনযাপনের কিছু অভ্যাস এর পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ফ্যাটি লিভার এমন একটি অবস্থা, যেখানে লিভারে অস্বাভাবিক পরিমাণে চর্বি জমতে শুরু করে। শুরুতে তেমন উপসর্গ না থাকলেও দীর্ঘদিন অবহেলা করলে প্রদাহ, ফাইব্রোসিস এমনকি গুরুতর লিভারের সমস্যার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনন্দিন কিছু অভ্যাস বদলালে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

১. গভীর রাতে খাওয়ার অভ্যাস

Lifestyle: মাত্র ৩ অভ্যাসেই বাড়ছে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি! দক্ষিণ এশীয়দের কেন বেশি সতর্ক থাকা জরুরি
Lifestyle: মাত্র ৩ অভ্যাসেই বাড়ছে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি! দক্ষিণ এশীয়দের কেন বেশি সতর্ক থাকা জরুরি

রাতের খাবার খাওয়ার পরও অনেকের মাঝরাতে টুকটাক খাওয়ার অভ্যাস থাকে। এতে শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা দীর্ঘ সময় ধরে বেশি থাকতে পারে। বিশ্রামের সময়ে শরীর অতিরিক্ত গ্লুকোজকে চর্বিতে রূপান্তর করে লিভারে জমা রাখতে শুরু করলে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয়দের ক্ষেত্রে পেটের চারপাশে চর্বি জমার প্রবণতা তুলনামূলক বেশি বলে মনে করা হয়।

২. প্রোটিনবিহীন সকালের নাশতা
অনেকেই সকালে শুধু পরোটা, রুটি, পাউরুটি বা অন্যান্য কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ খাবার খান, কিন্তু পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করেন না। প্রোটিনসমৃদ্ধ নাশতা রক্তে শর্করার ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে। ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং বিপাকক্রিয়াও ভারসাম্যে থাকে।

৩. রেজ়িস্ট্যান্স ট্রেনিং না করা
হাঁটা বা কার্ডিয়ো ব্যায়াম উপকারী হলেও পেশিশক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম বা রেজ়িস্ট্যান্স ট্রেনিংও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের ব্যায়াম শরীরের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে সাহায্য করে এবং পেশি রক্তের গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে। এর অভাবে অতিরিক্ত শর্করা লিভারে জমে চর্বিতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

কী করবেন?
*রাতের খাবারের পরে অপ্রয়োজনীয় স্ন্যাকস এড়িয়ে চলুন।
*সকালের নাশতায় ডিম, ডাল, দই, পনির বা অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখুন।
*সপ্তাহে অন্তত ২–৩ দিন রেজ়িস্ট্যান্স ট্রেনিং বা শক্তিবর্ধক ব্যায়াম করুন।
*নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে লিভারের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করুন, বিশেষ করে যদি ডায়াবেটিস, স্থূলতা বা পারিবারিক ঝুঁকি থাকে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো জীবনযাপনে ছোট ছোট পরিবর্তন আনতে পারলে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমানো এবং লিভারের দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা বজায় রাখা অনেকটাই সম্ভব।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক