বর্তমান সময়ে অনেক অভিভাবকেরই অভিযোগ, ছোট্ট সন্তান স্মার্টফোন ছাড়া যেন কিছুই করতে চায় না। খাওয়ার সময় থেকে শুরু করে অবসর কাটানো— সব ক্ষেত্রেই ফোনের উপর নির্ভরতা বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ ফোন সরিয়ে নিলে অনেক শিশুই রেগে যায়, কান্নাকাটি করে বা জেদি আচরণ শুরু করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আচরণের পিছনে শুধু শিশুকে দায়ী করলে চলবে না। দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে অভ্যস্ত হয়ে গেলে সেটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের মনে এক ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়। সেই জায়গা পূরণে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১) প্রতিদিন নির্দিষ্ট ‘ফ্যামিলি টাইম’ রাখুন

শিশুর সঙ্গে নিয়মিত সময় কাটানো তার মানসিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রতিদিন কিছুটা সময় গল্প করা, একসঙ্গে খাওয়া বা খেলাধুলা করলে পরিবারের প্রতি তার আগ্রহ বাড়ে এবং মোবাইলের উপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।
২) বইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করান
রঙিন ছবির বই, গল্পের বই বা বয়স অনুযায়ী শিক্ষামূলক বই শিশুর কল্পনাশক্তি ও সৃজনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। ছোটবেলা থেকেই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠলে স্ক্রিনের প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণ কমে আসতে পারে।
৩) ছোট ছোট দায়িত্ব দিন
বাড়ির সহজ কাজ যেমন জল এনে দেওয়া, খেলনা গুছিয়ে রাখা বা প্রয়োজনীয় জিনিস এগিয়ে দেওয়া— এসব দায়িত্ব শিশুকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। এতে দায়িত্ববোধের পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গে তার অংশগ্রহণও বাড়ে।
শিশুর আচরণ বদলাতে ধৈর্য এবং নিয়মিত ইতিবাচক অভ্যাস গড়ে তোলাই সবচেয়ে জরুরি। অভিভাবকদের সময়, ভালোবাসা এবং সঠিক দিকনির্দেশনা শিশুর সুস্থ মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Sumi has been waiting lifestyle, vastu Tips since 2026.