মেসি-অরূপ বিতর্কে নতুন মোড়, ভাইফোঁটা নিয়ে ভাস্বরের খোঁচা ভাইরাল

ফুটবল তারকা লিওনেল মেসিকে ঘিরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের বিতর্কে ফের চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। দীর্ঘদিন ধরে আইনি জটিলতায় জড়িয়ে থাকা অরূপ বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার সকালে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেন। এর মধ্যেই অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের একটি ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

সম্প্রতি আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে এক ম্যাচে লিওনেল মেসির দুরন্ত হ্যাটট্রিক বিশ্বজুড়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বসিত করে তোলে। মেসির এই সাফল্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ট্রোল ও মিমের পাশাপাশি অরূপ বিশ্বাসকেও নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।

এই আবহে অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় রসিকতার সুরে প্রশ্ন তোলেন, মেসির এই সাফল্য উদযাপন করতে তিনি কি তাঁর ‘বাল্যবন্ধুর অনুপ্রেরণায়’ বড়সড় ভাইফোঁটার অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন? টলিপাড়ায় বিশ্বাস পরিবারের উদ্যোগে আয়োজিত ভাইফোঁটার অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ টেনে করা এই মন্তব্য দ্রুতই ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনদের একাংশ ভাস্বরের কৌতুকে মজা পেলেও, অন্য অংশের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।

গত ডিসেম্বরে ভারত সফরে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁকে একবার কাছ থেকে দেখার আশায় বহু ফুটবলপ্রেমী মোটা অঙ্কের টিকিট কেটেছিলেন। তবে অনুষ্ঠানস্থলে চরম বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় নির্ধারিত সময়ের আগেই স্টেডিয়াম ছাড়েন মেসি। এরপর ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ ভাঙচুরে জড়িয়ে পড়েন।

ঘটনার পর মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করা হলেও, জামিনে মুক্তির পর তিনি অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, প্রভাব খাটিয়ে মেসির খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী এবং নির্ধারিত নিয়মের বাইরে গিয়ে একাধিক কাজ করেছিলেন। বিষয়টি পরবর্তীতে আদালত পর্যন্ত গড়ায়।

এদিকে, মেসির ব্যক্তিগত ম্যানেজমেন্ট টিমের তরফে কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির স্টেডিয়াম সফরের সময় আগে থেকেই কঠোর নিরাপত্তা ও প্রোটোকল নির্ধারিত ছিল। মাঠের ভেতরে কোনও ভিআইপি বা বিশেষ অতিথির প্রবেশের অনুমতি ছিল না এবং কেবলমাত্র কয়েকজন অনুমোদিত ক্যামেরা অপারেটরকে সেখানে থাকার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল।

চিঠিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস মাঠে প্রবেশ করেন এবং নির্ধারিত কর্মসূচির বাইরে গিয়ে মেসির কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করেন। ছবি তোলার সময় তিনি ফুটবল তারকার অত্যন্ত কাছে চলে যান এবং একাধিকবার স্পর্শ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই বিতর্কের মধ্যেই হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন পুলিশি হাজিরা এড়ানোর অভিযোগ ওঠে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় তাঁর উপস্থিতি নতুন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোচনা উস্কে দিয়েছে।

মেসির ভারত সফরকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্ক এখন আর শুধু প্রশাসনিক বা আইনি ইস্যুতে সীমাবদ্ধ নেই; তা বিনোদন জগতের কটাক্ষ, সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রোল এবং জনমতের আলোচনায় এক বহুমাত্রিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক