Vastu: নতুন বাড়িতে উঠেই বারবার দুঃস্বপ্ন? বাস্তুমতে কী ইঙ্গিত, জানুন প্রতিকারের উপায়

নতুন বাড়িতে গৃহপ্রবেশ জীবনের একটি আনন্দের মুহূর্ত। কিন্তু অনেকেই লক্ষ্য করেন, নতুন বাড়িতে ওঠার পর থেকেই রাতে অস্বস্তিকর বা ভয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। বাস্তুশাস্ত্রে এমন অভিজ্ঞতাকে কেবল কাকতালীয় বলে দেখা হয় না। এই শাস্ত্রের মতে, বাড়ির শক্তি, ঘরের বিন্যাস এবং বসবাসের পরিবেশ মানুষের মানসিক অবস্থার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও এসব বিশ্বাসের পক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সীমিত, তবুও বাস্তুমতে কিছু বিষয়কে দুঃস্বপ্নের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

গৃহপ্রবেশের আচার সঠিকভাবে না হলে
বাস্তুশাস্ত্রে মনে করা হয়, নতুন বাড়িতে প্রবেশের আগে নির্দিষ্ট ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। যদি গৃহপ্রবেশের পুজো বা অন্যান্য শুভ আচার যথাযথভাবে সম্পন্ন না হয়, তাহলে বাড়ির ইতিবাচক পরিবেশ সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে সময় লাগে। এর ফলে পরিবারের সদস্যদের মনে অস্থিরতা বা অস্বস্তির অনুভূতি তৈরি হতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়।

Vastu: নতুন বাড়িতে উঠেই বারবার দুঃস্বপ্ন? বাস্তুমতে কী ইঙ্গিত, জানুন প্রতিকারের উপায়
Vastu: নতুন বাড়িতে উঠেই বারবার দুঃস্বপ্ন? বাস্তুমতে কী ইঙ্গিত, জানুন প্রতিকারের উপায়

জমির অতীত ইতিহাসের প্রভাব
বাস্তুমতে যে জমির উপর বাড়ি তৈরি হয়েছে, তার পূর্ব ইতিহাসও গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হয়। যদি সেই জায়গাটি আগে দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকে বা অন্য কোনও বিশেষ কারণে নেতিবাচক বলে বিবেচিত হয়, তাহলে তার প্রভাব নতুন বাড়ির পরিবেশে কিছুটা থেকে যেতে পারে বলে অনেকে বিশ্বাস করেন। এর ফল হিসেবে ঘুমের সমস্যা বা অস্বস্তিকর স্বপ্নের কথা উল্লেখ করা হয়।

শোয়ার ঘরের অবস্থান
শোয়ার ঘরের অবস্থান বাস্তুশাস্ত্রে বিশেষ গুরুত্ব পায়। দম্পতির শোয়ার ঘর যদি অনুপযুক্ত দিকে থাকে, বিশেষ করে ঈশান বা উত্তর-পূর্ব কোণে, তাহলে তা মানসিক চাপ ও অস্থিরতা বাড়াতে পারে বলে বাস্তুমতে বলা হয়। তাই শোয়ার ঘরের অবস্থান নির্ধারণে দিক বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

কোন দিকে মাথা রেখে ঘুমোচ্ছেন?

ঘুমের সময় মাথার দিক নিয়েও বাস্তুশাস্ত্রে নানা মত রয়েছে। এই বিশ্বাস অনুযায়ী, উত্তর দিকে মাথা রেখে ঘুমোলে মানসিক অশান্তি ও দুঃস্বপ্নের সম্ভাবনা বাড়তে পারে। অন্যদিকে, দক্ষিণ বা পূর্ব দিকে মাথা রেখে শোয়া শুভ বলে ধরা হয়।

খাটের নীচে কী রয়েছে?

বাস্তুমতে খাটের নীচে অপ্রয়োজনীয় জিনিস, লোহার পুরনো সামগ্রী বা আবর্জনা জমিয়ে রাখা উচিত নয়। এমনকি জলের পাইপলাইন থাকলেও তা ঘুমের পরিবেশে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়। তাই শোয়ার জায়গা পরিষ্কার ও খোলামেলা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বাস্তুমতে যেসব উপায় অনুসরণ করা হয়
লবণ জল দিয়ে পরিষ্কার: ঘর মোছার জলে সামান্য রক সল্ট মিশিয়ে ব্যবহার করা বা শোয়ার ঘরের এক কোণে কাচের পাত্রে লবণ রাখা নেতিবাচক শক্তি কমাতে সাহায্য করে বলে মনে করা হয়।

ঘুমের দিক বদল: সম্ভব হলে দক্ষিণ বা পূর্ব দিকে মাথা রেখে ঘুমোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

ধূপ বা কর্পূরের ব্যবহার: সন্ধ্যায় কর্পূর জ্বালানো বা ধূপের ধোঁয়া ঘরে ছড়িয়ে দেওয়াকে পরিবেশ শুদ্ধ করার একটি উপায় হিসেবে ধরা হয়।

নিয়মিত প্রার্থনা: ইষ্টদেবতার নামজপ, মন্ত্রপাঠ বা গঙ্গাজল ছিটিয়ে ঘরের পরিবেশকে ইতিবাচক রাখার প্রচলনও রয়েছে।

তবে মনে রাখা জরুরি, ঘন ঘন দুঃস্বপ্ন দেখা সবসময় বাস্তুর কারণে হয় না। অতিরিক্ত মানসিক চাপ, উদ্বেগ, অনিয়মিত ঘুম, নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার সমস্যা কিংবা শারীরিক অসুস্থতার কারণেও এমন হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসক বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক