বিভিন্ন জায়গায় মাটি খুঁড়ে বিভিন্ন রকমের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া যায়। সময়ের সাথে সাথে যত মাটি খোঁড়ার কাজ চলছে তাতে বিভিন্ন রকমের তথ্য উঠে এসেছে আমাদের সামনে। সেরকমই এবার রাজস্থানের ভরতপুর ডিভিশনের বহজ গ্রামে মাটি খুঁড়ে মিললো বিশাল এক যজ্ঞকুণ্ডের।
দীর্ঘদিন ধরে সেখানে মাটি খোঁড়ার কাজ চালাচ্ছিলেন ‘আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া’র প্রত্নতাত্ত্বিকেরা। সেখানেই খোঁজ মিলেছে এক বিশাল যজ্ঞকুণ্ডের। যেটি আড়াই হাজার বছর পুরনো। এতোদিন আগেও যে সেখানকার পুজোয় যজ্ঞকুণ্ডের ব্যবহার হতো সে সম্পর্কে নিশ্চিত গবেষকরা।
এমনকি যজ্ঞের পর সেখানকার মাটি আলাদা করে রাখার চল ছিল, যার গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। কুণ্ড ছাড়াও সেখানে বিভিন্ন ধাতব জিনিস, কয়েন এবং হাড় দিয়ে তৈরি যন্ত্র পেয়েছেন গবেষকরা। মিলেছে পোড়ামাটির জিনিস। এছাড়াও স্বাস্থ্য ও ঔষধের দেবতা অশ্বিনী কুমারদ্বয়ের মূর্তিও পাওয়া গিয়েছে।
খনন কাজ শুরু করার আগে গবেষকেরা দীর্ঘদিন ধরে সেই অঞ্চলে পরীক্ষা চালাচ্ছিলেন। তাদের আন্দাজ ছিল মাটি খুঁড়লে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন পাওয়া যাবে। সেইমতো তারা চিঠি পাঠিয়েছিলেন কেন্দ্রের কাছে। কেন্দ্র থেকে অর্থ বরাদ্দ হওয়ার পর সেখানে মাটি খোঁড়ার কাজ শুরু হয়।
এসব জিনিস পাওয়ার পরেও প্রত্নতাত্ত্বিকেরা মনে করছেন খননকাজ চালিয়ে আরো কিছু প্রাচীন জিনিস পাওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে খননকার্য থেকে পাওয়া নিদর্শন দেখার পর অনেক সময় পুরনো ধ্যান-ধারনা ভেঙে যায়। তাই এর গুরুত্ব অপরিসীম।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.