গ্রিন টি সাধারণত সকালের স্বাস্থ্যকর পানীয় হিসেবেই বেশি পরিচিত। অনেকেই মনে করেন, ওজন নিয়ন্ত্রণ বা শরীরচর্চার উপকার পেতে দিনের শুরুতেই গ্রিন টি খাওয়া উচিত। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, সঠিক নিয়মে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগেও গ্রিন টি পান করা শরীর ও মনের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে।
রাতের খাবারের পরে অনেকেরই হালকা খিদে পায়। সেই সময় চিপস, মিষ্টি বা অতিরিক্ত স্ন্যাক্স খাওয়ার বদলে যদি এক কাপ গ্রিন টি বেছে নেওয়া যায়, তা হলে অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি ঝোঁক অনেকটাই কমে। বিশেষ করে রাত জেগে কাজ করা বা ফোন ব্যবহার করার সময়ে যেসব অকারণ খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হয়, গ্রিন টি তা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রিন টি শরীরকে কিছুটা আরাম দেয় এবং মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে। সারাদিনের কাজের চাপের পরে এক কাপ গরম গ্রিন টি ক্লান্তি কমাতে কার্যকর হতে পারে। অনেকেই শোয়ার আগে দীর্ঘক্ষণ মোবাইল স্ক্রিনে সময় কাটান, যা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। তার বদলে এই অভ্যাস শরীর ও মনের জন্য তুলনামূলকভাবে ভালো।

এ ছাড়াও, রাতে গ্রিন টি খাওয়ার একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়ে দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের উপরও। যদি জানা থাকে যে রাতের খাবারের কিছু পরে গ্রিন টি পান করা হবে, তা হলে অনেকেই ডিনারে অতিরিক্ত খাবার এড়িয়ে চলেন। ফলে রাতের খাবার হালকা রাখার অভ্যাস তৈরি হতে পারে, যা হজমের পক্ষেও উপকারী।
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ঘুমাতে যাওয়ার ঠিক আগে নয়, অন্তত এক ঘণ্টা আগে গ্রিন টি পান করা ভালো। এতে শরীর ধীরে ধীরে রিল্যাক্স করতে পারে এবং ঘুমের মানও উন্নত হতে পারে। উদ্বেগ বা মানসিক অস্থিরতা কমাতেও এটি সহায়ক বলে মনে করা হয়।
নিয়মিত ও পরিমিত ভাবে এই অভ্যাস বজায় রাখলে জীবনযাত্রায় একটি স্বাস্থ্যকর রুটিন তৈরি হতে পারে। নির্দিষ্ট সময়ে রাতের খাবার, তার পরে হালকা পানীয় এবং সময়মতো ঘুম— এই গোটা প্রক্রিয়াই দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ জীবনযাপনে সাহায্য করে।
Sumi has been waiting lifestyle, vastu Tips since 2026.