Bigg Boss bangla : ‘বিগ বস বাংলা’-র ঘরে সৃজলা গুহর সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার পর থেকেই অনুশোচনায় ভুগছেন নন্দিনী দত্ত। একাধিকবার সৃজলার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। এবার প্রকাশ্যেই সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন নন্দিনীর মা। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ঘটনার পর থেকে তাঁর মেয়েও ভালো নেই। নন্দিনীর মায়ের কথায়, “পারলে প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন। দু’সপ্তাহ ধরে তো দেখছি, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী ভালো নেই।” মেয়ের হয়ে সৃজলার পরিবারের কাছে এভাবেই ক্ষমা প্রার্থনা করেন তিনি।
ঘটনার সূত্রপাত বিগ বসের ঘরে ক্যাপ্টেনশিপ টাস্ককে কেন্দ্র করে। প্রথমে মিউজিক্যাল চেয়ার খেলার মাধ্যমে পরবর্তী পর্যায়ের জন্য পাঁচজন প্রতিযোগী নির্বাচিত হন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সৃজলা, মনামী, জীতু, তনুশ্রী এবং রাজবীর। পরের টাস্কে প্রতিযোগীদের কাঠের ঘোড়ায় বসে থাকতে হয়। যে শেষ পর্যন্ত ঘোড়ায় টিকে থাকতে পারবেন, তিনিই ক্যাপ্টেন হওয়ার সুযোগ পাবেন।
খেলার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীরা একে অপরকে ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করতে পারতেন। সেই টাস্কেই সৃজলাকে নামানোর সময় নন্দিনীর সঙ্গে ঘটে যায় দুর্ঘটনা। সৃজলা পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পান। এরপর দ্রুত তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় এবং বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয় তাঁকে। পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকার পর ফের বিগ বসের ঘরে ফিরে আসেন সৃজলা।
ফেরার পর থেকেই সৃজলার কাছে একাধিকবার ক্ষমা চাইতে দেখা যায় নন্দিনীকে। নিজের ভুল স্বীকার করে সৃজলার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টাও করেছেন তিনি। তবে ঘটনার পর সৃজলার ক্ষুব্ধ হওয়াটাও স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় এসেছে। এরই মধ্যে বিগ বসের ঘরে পরিবারের উদ্দেশে চিঠি লেখার সুযোগ পান প্রতিযোগীরা। সেই চিঠিতে নন্দিনী তাঁর মা-বাবাকে অনুরোধ করেছিলেন, তাঁরা যেন সৃজলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁর হয়ে ক্ষমা চান। এবার সেই কথাই প্রকাশ্যে পালন করলেন নন্দিনীর মা।

সাক্ষাৎকারে তিনি সৃজলার পরিবারের কাছে মেয়ের হয়ে ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি জানান, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী মানসিকভাবে ভালো নেই। অন্যদিকে, রাজবীর প্রসঙ্গ উঠলে মেয়ের পছন্দকেই তাঁরা গুরুত্ব দেন বলেও স্পষ্ট করে জানান নন্দিনীর মা। ফলে বিগ বসের ঘরের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে ফের চর্চা শুরু হয়েছে।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.