বারাণসীর ঘাটে কি চুপিসারে দ্বিতীয় বিয়ে? হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে জোর চর্চা, রাজনীতি-ব্যক্তিজীবন সবই আলোচনায়

বারাণসীর ঘাটে তোলা কয়েকটি ছবি ঘিরে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে উঠে এলেন অভিনেতা ও বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে বিয়ের আবহে তোলা একাধিক ছবি পোস্ট করতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর জল্পনা—তবে কি দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন হিরণ? ছবিতে তাঁর সঙ্গে যাঁকে দেখা যাচ্ছে, তিনি ঋতিকা গিরি বলেই শোনা যাচ্ছে। গঙ্গার ঘাটে চার হাত এক হওয়ার মুহূর্ত ঘিরে নেটদুনিয়ায় নানা মতামত ঘুরছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত হিরণের তরফে কোনও স্পষ্ট বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম পক্ষের স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়। তাই ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত ছবিগুলি সামনে আসতেই অভিনেতা-রাজনীতিকের ব্যক্তিজীবন নিয়ে কৌতূহল আরও বেড়েছে। অনেক ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরই দাবি, এটি নিছক কোনও ফটোশুট নয়, বরং গোপন বিয়েরই ইঙ্গিত।

দীর্ঘদিন টলিউডে তাঁকে নিয়মিত দেখা যায়নি। এই অনুপস্থিতি নিয়েও একসময় নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। ২০২৩ সালে ABP Ananda-কে দেওয়া এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে সেই জল্পনার জবাব দিয়েছিলেন হিরণ। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ইন্ডাস্ট্রিতে দেবময়তার কারণে কি তিনি কাজ পাচ্ছেন না? উত্তরে হিরণ স্পষ্ট বলেন, “না, এসব আমি জানি না। দেব তো আমার আগেই সিনেমা করেছেন। তবুও ‘নবাব নন্দিনী’, ‘ভালবাসা ভালবাসা’ আমার সিনেমা, সেগুলো হিট করেছে।”

বর্তমানে অভিনয়ের তুলনায় রাজনীতিতেই বেশি সক্রিয় হিরণ চট্টোপাধ্যায়। ২০২১ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে জিতে বিজেপির বিধায়ক হন তিনি। বিধায়ক থাকা অবস্থাতেই ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ঘাটাল কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হিরণ। সেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ দেব (দীপক অধিকারী)। টলিউড থেকে উঠে আসা দুই অভিনেতার এই রাজনৈতিক লড়াই ঘিরে ভোটের আগে ব্যাপক বাকযুদ্ধ চলে। যদিও শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন হিরণ, আর তৃতীয়বারের জন্য ঘাটালে জয়ী হন দেব।

লোকসভা নির্বাচনের পরেও রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে দূরে থাকেননি হিরণ। সম্প্রতি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করেন, দল চাইলে তিনি খড়গপুর থেকেই আবার ভোটে লড়তে পারেন। এই বক্তব্য ঘিরে খড়গপুর রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়। পরোক্ষভাবে আসন বদল নিয়ে নিশানা করা হয় বর্তমান বিধায়ক হিরণের দিকে। তার জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “পার্টিতে কেউ ইচ্ছা প্রকাশ করে বলতে পারে না যে, আমি অমুক জায়গা থেকে দাঁড়াব। তাহলে তো কোনও গণতন্ত্র থাকবে না।”

সব মিলিয়ে, ব্যক্তিজীবনের নতুন অধ্যায় নিয়ে জল্পনা, অতীতের অভিনয়জীবনের প্রসঙ্গ এবং বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান—সবকিছু মিলিয়ে আবারও খবরের শিরোনামে হিরণ চট্টোপাধ্যায়। বারাণসীর ঘাটের সেই ছবিগুলি সত্যিই কি দ্বিতীয় বিয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে, নাকি এর নেপথ্যে অন্য কোনও গল্প রয়েছে, তা জানতে আপাতত অপেক্ষাতেই অনুরাগী ও রাজনৈতিক মহল।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক