গত রবিবার ফেসবুকে পরিচালক তথাগত একটি ছবি শেয়ার করেন। ছবিটিতে দেখা গেছে একজন মহিলা ও একটি পুত্র শিশুকে একেবারে মেয়েদের মতন করে সাজিয়েছেন। ছবিটি দেখে একেবারে বোঝাই যাচ্ছে না যে ছবিটার শিশুটি একজন পুত্র। কিন্তু ছবিতে থাকা মানুষ দুজন কে? আপনারা কি আন্দাজ করতে পারছেন? এই ছবিটি দেখে আন্দাজ না করতে পারারই কথা। আসলে এই ছবিটি যে মহিলাটি রয়েছেন, তিনি হলেন,পরিচালক তথাগতের মা এবং শিশুটি তথাগত নিজেই।
পরিচালক তথাগত বলেন, তার মা চেয়েছিলেন তার দ্বিতীয় সন্তান একটি কন্যা হোক, যে কিনা তার বন্ধু হবে তার সাথে মন খুলে গল্প করবে এবং তার সাথে সমব্যথী হবে। কিন্তু মায়ের সেই ইচ্ছেটা পুরন হলো না, কারন আমি হলাম। পরিচালক এও বলেন,সেদিন তার মা একেবারেই খুশি হননি। নিজের মেয়ের শখ মেটাতে তথাগতের মা তথাগতকেই মেয়ের মতন করে সাজিয়েছিলেন । সেদিন তাকে একটি লাল রঙের জামা পড়িয়ে তার সঙ্গে মাথায় ফিতে দিয়ে ঝুঁটি বেঁধে দিয়েছিল। এবং তথাগতার মা একটি সবুজ রঙের শাড়ি পড়েছিলেন এবং পুরীর সমুদ্রের পাড়ে গিয়ে ছবি তুলে সেই ছবিটি ক্যামেরাবন্দি করে রেখে দিয়েছিলেন।
ছবিটির ক্যাপশনে তথাগত লেখেন,, ‘ভাগ্যিস মেয়ে হয়ে জন্মাইনি।’ তার এই ক্যাপশন বিষ্মিত করে তুলেছে নেটিজেনদের,যে কেনো তিনি এমনটা লিখলেন। তিনি বলেন, ছোটবেলায় আমার লম্বা চুল ছিল,তাই সব সময় মা চুল বেঁধে দিত,মেয়েদের মত করে সাজিয়ে দিত। এরপর আস্তে আস্তে বড় হতে থাকলাম তাই আমার সাজগোজ এর পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু আমার দিদিরা ও বান্ধবীরা বলে আমার কথা বলার ধরন ও ভাব ভঙ্গিমা নাকি মেয়েদের মতন। আসলে আমার ব্যাহিক পরিবর্তন হলেও মনটা পরিবর্তন হয়নি তখনও।
তথাগতের লেখা দ্বিতীয় প্যারাটি পরলেই বুঝতে পারবেন, তিনি কেন বলেছেন, “ভাগ্যিস মেয়ে হয়ে জন্মাইনি”। তিনি বলেন, যদি আমি মেয়ে হয়ে জন্মতাম তাহলে হয়তো আজকে আমি হতাম আর জি করের মেয়েটি অথবা হতে পারতাম জয়নগরের কিংবা রাজারহাটের মেয়েটি। আসলে মেয়ে হয়ে জন্মালে জন্মের পর থেকে তার একটা রিস্ক থাকে, সে যেকোনো সময় যেকোনো বয়সে ধর্ষিত হতে পারে।
পরিচালক বলেন,আফ্রিকাতে আমার ছয় ফুটের দূরত্বে অনেক সিংহকে হিসু করতে দেখেছি, ঘুমোতে দেখেছি। পরবর্তীতে পড়াশোনা করে বইয়ের মাধ্যমে জানতে পারলাম বাচ্চাদের বড় করা, খাবার যোগাড় করা এগুলো সব সিংহীরা করে। আর সিংহরা শিকার করা খাবার খায়, ঘুমায় ,হিসু করে, পটি করে এবং সিজনে সিজনে সেক্স করে। এর জন্যই বোধহয় ছেলেদের পুরুষ সিংহ বলা হয়। আমি অবশ্য এই দলের মধ্যেই পড়ি “ভাগ্যিস আমি মেয়ে হয়ে জন্মায়নি”।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.