বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটি এ বছর টলিপাড়ার জন্য নিয়ে এল এক আনন্দের খবর। পয়লা বৈশাখের শুভক্ষণে পরিচালক প্রভাত রায়-এর পরিবারে জন্ম নিল এক ফুটফুটে কন্যাসন্তান। তাঁর কন্যা একতা ভট্টাচার্য মাতৃত্বের নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন, আর সেই সঙ্গে প্রথমবার দাদু হওয়ার সুখ অনুভব করলেন প্রবীণ এই চলচ্চিত্র নির্মাতা।
বুধবার সকালে, যখন গোটা রাজ্যজুড়ে নববর্ষ উদযাপনের আনন্দে মেতে উঠেছে, ঠিক তখনই রায়ের বাড়িতে আসে এই সুখবর। নতুন জীবনের আগমনে উচ্ছ্বাসে ভেসে যান পরিবারের সদস্যরা। বিশেষ করে প্রভাত রায় তাঁর নাতনিকে এক অভিনব ও স্নেহভরা নামে সম্বোধন করেন—‘রায়বাঘিনী’। এই নামেই যেন তিনি নাতনির আগমনের গর্ব ও আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
সামাজিক মাধ্যমে নিজের অনুভূতি ভাগ করে নিয়ে প্রভাত রায় জানান, নববর্ষে এর চেয়ে বড় উপহার আর কিছু হতে পারে না। তিনি বলেন, নাতনি পাওয়ার ইচ্ছা তাঁর বহুদিনের ছিল, আর সেই ইচ্ছাই পূরণ হয়েছে এই শুভ দিনে। দাদু হওয়ার আনন্দে তাঁর আবেগও ধরা পড়ে সেই পোস্টে।

একতা ভট্টাচার্য টলিউডে মূলত একজন দক্ষ পোস্টার ডিজাইনার হিসেবে পরিচিত। তাঁর শিল্পকর্ম বহু বাংলা ছবির প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। শুধু বাংলা চলচ্চিত্রেই নয়, ধীরে ধীরে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্র জগতেও নিজের জায়গা তৈরি করছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা-র একটি ছবির পোস্টার ডিজাইন করার কাজও করেছেন তিনি।
ব্যক্তিগত জীবনে, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে শৈশবের বন্ধু অর্ণেশ মিত্রর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন একতা। দীর্ঘ বন্ধুত্বের পর তাঁদের এই সম্পর্ক নতুন রূপ পায়। এবার সেই দম্পতির জীবনে এলো আরও বড় সুখবর—তাঁদের কন্যাসন্তানের জন্ম।
পরিবারের এই নতুন সদস্যকে ঘিরে আনন্দে ভাসছেন সকলে। আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুমহল থেকেও শুভেচ্ছার বন্যা বইছে। একদিকে যেমন একতা ও তাঁর স্বামী নতুন দায়িত্বের পথে পা রাখলেন, অন্যদিকে প্রভাত রায়ের জীবনেও যুক্ত হল এক নতুন পরিচয়—দাদু হিসেবে।
সব মিলিয়ে, বাংলা নববর্ষের এই বিশেষ দিনে রায় পরিবারের এই আনন্দঘন মুহূর্ত যেন আরও একবার মনে করিয়ে দিল—নতুন বছরের শুরু মানেই নতুন আশার আলো, নতুন সম্পর্কের উষ্ণতা।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.