বর্ষার দিনে এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চায়ের সঙ্গে গরম গরম সিঙাড়া খেতে ভালোবাসেন অনেকেই। তবে ময়দায় তৈরি হওয়ায় এই জনপ্রিয় নাস্তা অনেকের জন্য হজমের অস্বস্তি, অম্বল বা বুকজ্বালার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই স্বাদের সঙ্গে স্বাস্থ্যকেও গুরুত্ব দিতে চাইলে ময়দার পরিবর্তে রাগীর আটা ব্যবহার করে সিঙাড়া তৈরি করা যেতে পারে।
রাগী বা ফিঙ্গার মিলেট একটি পুষ্টিকর শস্য। এতে পর্যাপ্ত ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং নানা ধরনের খনিজ উপাদান রয়েছে। ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি পরিশোধিত ময়দার তুলনায় এটি তুলনামূলকভাবে বেশি পুষ্টিকর বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়। সঠিকভাবে তৈরি করলে রাগীর সিঙাড়ার স্বাদও বেশ উপভোগ্য থাকে।
ডো তৈরির জন্য যা লাগবে

*১ কাপ রাগীর আটা
*৩ চা-চামচ ময়দা (ডো বাঁধার সুবিধার জন্য)
*১ চা-চামচ গোটা জিরে
*১ চা-চামচ মৌরি
*স্বাদমতো লবণ
*১ টেবিলচামচ তেল
পুর তৈরির উপকরণ
*১ কাপ সেদ্ধ ও চটকানো আলু
*আধা কাপ সবুজ মটরশুঁটি
*১টি পেঁয়াজ কুচি
*৩টি কাঁচা লঙ্কা কুচি
*১ চা-চামচ জিরে
*আধা চা-চামচ হলুদ গুঁড়ো
*২ চা-চামচ তেঁতুলের রস
*স্বাদমতো লবণ
*প্রয়োজনমতো তেল
পুর তৈরির পদ্ধতি
প্রথমে কড়াইয়ে সামান্য তেল গরম করে জিরের ফোড়ন দিন। এরপর পেঁয়াজ ও কাঁচা লঙ্কা দিয়ে নরম হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এবার হলুদ, লবণ, সেদ্ধ আলু ও মটরশুঁটি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে কয়েক মিনিট রান্না করুন। সবশেষে তেঁতুলের রস মিশিয়ে নামিয়ে ঠান্ডা করে রাখুন।
ডো তৈরি করবেন যেভাবে
একটি পাত্রে রাগীর আটা, সামান্য ময়দা, জিরে, মৌরি, লবণ ও তেল একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। অল্প অল্প করে জল দিয়ে মেখে নরম ও মসৃণ ডো তৈরি করুন। এরপর ১০ থেকে ১৫ মিনিট ঢেকে রেখে দিন।
সিঙাড়া বানানোর ধাপ
ডো থেকে ছোট লেচি কেটে পাতলা করে বেলে নিন। মাঝখান থেকে কেটে দুটি অংশ করুন। প্রতিটি অংশ শঙ্কুর মতো ভাঁজ করে তার মধ্যে আলুর পুর ভরে মুখ ভালোভাবে আটকে দিন, যাতে ভাজার সময় পুর বেরিয়ে না আসে।
শেষ ধাপ
মাঝারি আঁচে গরম তেলে সিঙাড়াগুলি সোনালি রং হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন। অতিরিক্ত তেল ঝরিয়ে পুদিনা বা তেঁতুলের চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন। চাইলে এক কাপ গরম মশলা চায়ের সঙ্গেও এই স্বাস্থ্যকর সিঙাড়া উপভোগ করা যায়।
Sumi has been waiting lifestyle, vastu Tips since 2026.