শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অভিনেতা জিতের উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তাঁর এই উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, তবে কি এতদিনের ‘অরাজনৈতিক’ ইমেজ বদলাতে চলেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা?
এই বিতর্কের মধ্যেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন জিৎ। তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্র মারফত পাঠানো এক লিখিত বার্তায় অভিনেতা জানিয়েছেন, নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেই আমন্ত্রণের মর্যাদা দিতেই তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং শুভেচ্ছা জানানোর উদ্দেশ্যেই সেখানে যোগ দেন।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সাদা পাঞ্জাবি-চোস্ত ও গেরুয়া উত্তরীয় পরে হাজির হয়েছিলেন জিৎ। তাঁকে মঞ্চে দেখা যেতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চর্চা। কারণ, দীর্ঘ অভিনয় জীবনে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রচারে তাঁকে কখনও সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি।
তবে এই প্রথম নয় বলেও মনে করিয়ে দিয়েছেন অভিনেতা। তিনি জানিয়েছেন, ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময়ও তিনি আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময়ও তিনি শুধুমাত্র সৌজন্য রক্ষার খাতিরেই অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন।

জিৎ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তাঁর উপস্থিতিকে রাজনৈতিক রং না দেওয়াই ভালো। তিনি এখনও কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন এবং ভবিষ্যতেও তাঁর অবস্থান নিয়ে অযথা জল্পনা না করার আবেদন জানিয়েছেন।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.