নতুন বছর শুরুর আগেই দেশজুড়ে ধর্মীয় আবহ তৈরি হয়েছে। বহু মানুষ নববর্ষের আগমনে আনন্দ-উৎসবে মেতে উঠলেও, অন্যদিকে বহু ভক্ত ভিড় জমাচ্ছেন ধর্মগুরু প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে। নববর্ষ কীভাবে কাটানো উচিত, জীবনকে কোন পথে পরিচালিত করা উচিত—এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তাঁর শরণাপন্ন হচ্ছেন মানুষ।
ভক্তদের উদ্দেশে প্রেমানন্দ মহারাজ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, নববর্ষ মানে কেবল পার্টি, মদ্যপান বা ভোগবিলাস নয়। বরং এটি আত্মশুদ্ধি, আত্মসংযম এবং সৎকর্মে নিজেকে নিয়োজিত করার শ্রেষ্ঠ সময়। তিনি বলেন, “নতুন বছর মানে নতুন সংকল্প। পাপ ত্যাগ করে ঈশ্বরের পথে চলাই প্রকৃত নববর্ষ উদযাপন।”
মদ, মাংস ও অনৈতিক আচরণ সম্পর্কে কঠোর মন্তব্য করে প্রেমানন্দ মহারাজ বলেন, এই সব অভ্যাস মানুষকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দেয়। তাঁর মতে, মদ্যপান, মাংসভোজন, হিংসা ও ব্যভিচার নরকের দরজা খুলে দেয়। অনেকেই নববর্ষের নামে এইসব কাজকে আনন্দ মনে করেন, কিন্তু প্রকৃত সুখ সেখানে নেই। প্রকৃত সুখ আসে আত্মশুদ্ধি ও ঈশ্বরভক্তির মধ্য দিয়ে।
আরও পড়ুন:নতুন বছরে বড় পরিবর্তন: ২০২৬ থেকে বন্ধ হতে পারে এই ৩ ধরনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট
তিনি আরও বলেন, নতুন বছরে সকলের উচিত মদ-মাংস বর্জন করা, পরনারীতে আসক্তি ত্যাগ করা, রাগ ও হিংসা থেকে দূরে থাকা এবং চুরি বা অসৎ কাজ না করা। ভগবানের নাম জপ, দান ও সেবার মাধ্যমে জীবনকে সুন্দর করে তোলাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।
আরও পড়ুন:নতুন বছর ২০২৬: সূর্যের কৃপা পেতে ঘরে আনুন এই ৫ শুভ বস্তু
সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথাও তুলে ধরেন প্রেমানন্দ মহারাজ। তিনি বলেন, পাপাচার শুধু ব্যক্তিকে নয়, গোটা সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। শিশুদের সামনে সঠিক আদর্শ স্থাপন করাও আমাদের দায়িত্ব। মানবজীবন পৈশাচিক কাজের জন্য নয়, ঈশ্বরের কৃপা লাভের জন্য।
আরও পড়ুন:শ্রাবণ নক্ষত্রে সূর্যের প্রভাব: মেষ-সহ ৫ রাশির জীবনে সাফল্য ও সমৃদ্ধির সময়
শেষে তিনি বলেন, প্রকৃত আনন্দ আসে ভক্তি ও সৎকর্ম থেকে, ভোগ-বিলাস থেকে নয়। নববর্ষে সবাই যদি পাপ ত্যাগ করে ধর্ম, দান ও মানবতার পথে চলে, তবেই জীবন হবে শান্তিময় ও কল্যাণকর। তাঁর আহ্বান—এই নতুন বছরে ঈশ্বরের আশীর্বাদ নিয়ে সত্য ও ন্যায়ের পথে এগিয়ে চলুন।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.