বেতন বৃদ্ধির দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠল Noida। ১৩ এপ্রিল প্রায় ৪০ হাজার শ্রমিক একযোগে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান, যার জেরে শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৮০টি স্থানে একসঙ্গে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে, যা দ্রুতই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হলেও, পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ফেজ ২ এবং সেক্টর ৬৩ এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। পাথর ছোড়ার ঘটনাও ঘটে, যার ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যায়। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
‘বহিরাগত’ না কি অন্য কোনও যোগ?
পুলিশের দাবি, স্থানীয় শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ শেষ করে চলে যাওয়ার পরই পরিস্থিতি ঘোরালো হয়। Gautam Buddh Nagar-এর পুলিশ কমিশনার লক্ষ্মী সিং জানিয়েছেন, জেলার বাইরের কিছু লোক ঘটনাস্থলে এসে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে এবং বাকিদের শনাক্ত করার কাজ চলছে।
পাকিস্তানি যোগের সন্দেহ
ঘটনার আরও গভীরে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। Pakistan-এর সঙ্গে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশের শ্রমমন্ত্রী অনিল রাজভর জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় সন্ত্রাস-সংক্রান্ত একাধিক গ্রেফতারের প্রেক্ষিতে এই দিকটিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট প্রমাণ সামনে আসেনি, তবুও গোটা বিষয়টি নিয়ে সতর্ক রয়েছে প্রশাসন।
বেতন বৃদ্ধি ইস্যুই মূল কারণ
এই বিক্ষোভের পেছনে মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবি। সম্প্রতি Haryana সরকার শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন বাড়ানোর ঘোষণা করে। এরপরই Uttar Pradesh-এর নয়ডায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। সেই চাপের মুখে ১৪ এপ্রিল উত্তরপ্রদেশ সরকারও ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির ঘোষণা করে।
পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে
বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তবে হিংসার উৎস, বহিরাগতদের ভূমিকা এবং সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক যোগ—সব দিক খতিয়ে দেখতে তদন্ত জারি রয়েছে।
👉 সব মিলিয়ে, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির আন্দোলন কীভাবে হঠাৎ হিংসাত্মক মোড় নিল, আর তার পেছনে ঠিক কারা—সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে উঠেছে।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.