সায়ককে ঘিরে ফের বিতর্ক, ঋত্বিকের খোঁচায় তুঙ্গে চর্চা

সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের রাজনৈতিক যোগ এবং তাঁদের কনটেন্ট তৈরির জন্য অর্থপ্রাপ্তি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরগরম নেটদুনিয়া। এরই মধ্যে বিজেপির নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া বলে দাবি করা একটি খতিয়ান সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে কয়েকজন নেটপ্রভাবীর নাম এবং তাঁদের দেওয়া অর্থের অঙ্ক রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই তালিকায় অভিনেতা তথা ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তীর নামও রয়েছে বলে অভিযোগ।

এই খতিয়ানকে কেন্দ্র করেই ফের আলোচনায় এসেছে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের গোমাংস-কাণ্ড। ওই ঘটনায় সায়কের সঙ্গে পার্ক স্ট্রিটের একটি রেস্তরাঁয় উপস্থিত ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সুকান্ত কুণ্ডু। ভাইরাল হওয়া তালিকায় সুকান্তের নামও রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। যদিও ভাইরাল হওয়া নথির সত্যতা নিয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এই পরিস্থিতিতে গোমাংস-কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে সায়ককে কটাক্ষ করেছেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী। সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে তিনি সায়ককে উদ্দেশ্য করে অর্থপ্রাপ্তি এবং ওই সময়কার ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন। ঋত্বিকের মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নতুন করে বিতর্ক।

অন্যদিকে, বিতর্কের আবহে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন সায়ক। তাঁর দাবি, গোমাংস-কাণ্ডের সময় বিজেপি এবং সমমনোভাবাপন্ন কিছু মানুষ তাঁকে সমর্থন করেছিলেন। সেই কারণেই পরবর্তীতে তিনি তাঁদের হয়ে কিছু কনটেন্ট তৈরি করেছিলেন। সায়কের বক্তব্য, এর আগেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে কনটেন্ট তৈরির প্রস্তাব এসেছিল।

সায়ক আরও জানান, ওই ঘটনার সময় তাঁর একটি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াকে অন্যভাবে তুলে ধরা হচ্ছিল বলে তিনি নিজেই সেটি সোশাল মিডিয়া থেকে মুছে দিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, ঘটনাটির সঙ্গে পরবর্তী রাজনৈতিক কনটেন্ট তৈরির বিষয়টিকে এক করে দেখা ঠিক নয়। তিনি আরও বলেন, তিনি যে আয় করেন তা সৎ পথেই করেন।

ইনফ্লুয়েন্সারদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য ও তৈরি করা কনটেন্ট সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলেই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। চলতি বছরে ‘বাটন’ নামে একটি ভিডিও নিয়েও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল। ওই ভিডিওতে তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অত্যাচারের অভিযোগের ছবি তুলে ধরা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। ভিডিওটির নির্মাতা শমীক অধিকারীর নামও এবার ভাইরাল হওয়া বলে দাবি করা খতিয়ানে উঠে এসেছে।

সব মিলিয়ে, রাজনৈতিক কনটেন্ট তৈরি, ইনফ্লুয়েন্সারদের অর্থপ্রাপ্তি এবং তাঁদের প্রকাশ্য রাজনৈতিক অবস্থান—এই তিনটি বিষয়কে ঘিরেই নতুন করে সরগরম সোশাল মিডিয়া। তবে ভাইরাল হওয়া নথিতে উল্লিখিত তথ্যের সত্যতা এবং অর্থপ্রাপ্তির প্রকৃত প্রেক্ষাপট নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক