বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের তালিকায় নিজের নাম তুলতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। তিনি হলেন অনন্যা পান্ডে। ইতিমধ্যে একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। এর পাশাপাশি ওয়েব সিরিজে তার অভিনয় প্রশংসা পেয়েছে। অভিনেত্রীর অনুগামীরা সকলেই অভিনেত্রীর জীবনযাপন সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। তাই অনন্যা বান্ধবীদেরও চেনেন তিনি। তেমনি সুহানা খান, শানায়া কাপুর ও অনন্যা পান্ডে যে খুব কাছের বন্ধু তা অনেকেই জানেন।
তাদের তিনজনকে মাঝেমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় একসঙ্গে ছবি পোস্ট করতে দেখা যায়। একসঙ্গে তারা সময় কাটান হামেশাই। এই তিন বান্ধবীর বলিউড নিয়ে চোখে বড় স্বপ্ন রয়েছে। সুহানা ইতিমধ্যে বলিউডে পা রেখেছেন। অপরদিকে শানায়া বলিউডে প্রবেশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন৷ তবে অনন্যা বহু দিন আগেই ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ করেছেন। অর্থাৎ তিন বান্ধবীর মধ্যে অনন্যাই প্রথম রুপোলী পর্দায় পা রেখেছেন।
ইতিমধ্যে অনন্যা যে একটি জায়গা করে নিয়েছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ইতিমধ্যে তার অভিনীত ‘কল মি বেবি’ বেশ প্রশংসা পেয়েছে। তার প্রথম বলিউডের অভিনীত ছবি ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার ২’। এরপর একে একে ‘খালি পিলি’, ‘ড্রিম গার্ল ২’, ‘খো গায়ে হাম কাঁহা’ একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। তার অভিনীত ‘কল মি বেবি’ সিরিজটি বেশ প্রশংসা পেয়েছে। আমাজনে প্রাইমে মুক্তি পাওয়ার পর তা রমরমিয়ে চলছে।
আগামীতে নেটফ্লিক্স ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেতে চলেছে ‘সিটিআরএল’। তবে অনন্যার কথায়, তার বন্ধুরা যেভাবে প্রশিক্ষণ নিয়ে বলিউডে প্রবেশ করছেন, তা তিনি করেননি। কিছু না জেনেই এসেছিলেন ইন্ডাস্ট্রিতে। তবে প্রস্তুতি না নিয়ে, না বুঝে ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ করলেও তিনি বর্তমানে যেই জায়গায় আছেন তাতে তিনি খুব খুশি, এমনটাই জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, তার বন্ধুরা যে সুযোগ পেয়েছে তা তিনি পাননি।
হিউম্যানস্ অফ্ বম্বেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অনন্যা জানিয়েছেন, “প্রত্যেকের জার্নি অনেক আলাদা। আমি যে সময় শুরু করেছি তাতে আমি খুব খুশি। যখনই আমি আমার বন্ধুদের ২৪-২৫ বছর বয়সে শুরু করতে দেখছি, তখনই আমার ওদের দেখে মনে হয়েছে যে ওরাও খুব ভালোভাবে প্রস্তুত। ওরা ওদের সমস্ত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে। ওরা জানে কীভাবে মিডিয়ার সঙ্গে মোকাবিলা করতে হয়।”

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.