গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত ঘাম, ধুলোবালি এবং আর্দ্রতার কারণে ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। ব্রণ, ঘামাচি, র্যাশ বা ত্বকের জ্বালাভাব অনেকেরই নিত্যসঙ্গী হয়ে ওঠে। বাজারচলতি প্রসাধনী ব্যবহার করেও অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত ফল মেলে না। এমন পরিস্থিতিতে প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে নিমপাতা ত্বকের পরিচর্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নিমে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও প্রদাহরোধী উপাদান ত্বক পরিষ্কার রাখতে এবং অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক বলে মনে করা হয়। নিয়ম মেনে ব্যবহার করলে এটি গরমের ত্বকের সমস্যায় কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে।
১. নিমপাতা সেদ্ধ জল দিয়ে স্নান

এক মুঠো তাজা নিমপাতা জলে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে নিন। সেই জল স্নানের জলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এতে ঘামাচি, চুলকানি বা শরীরের ব্রণের সমস্যা কিছুটা কমতে পারে এবং ত্বকও সতেজ অনুভূত হয়।
২. নিম ও হলুদের ফেসপ্যাক
নিমগুঁড়োর সঙ্গে সামান্য হলুদ এবং গোলাপজল মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। মুখে ১০–১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। তৈলাক্ত ত্বক ও ব্রণের প্রবণতা থাকলে এই প্যাক উপকারী হতে পারে।
৩. নিম ও অ্যালোভেরা জেল
বাটা নিমপাতার সঙ্গে তাজা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে ত্বকের আক্রান্ত স্থানে লাগাতে পারেন। রোদে পোড়া ত্বকের জ্বালাভাব বা লালচে ভাব কমাতে এই সংমিশ্রণ কিছুটা আরাম দিতে পারে।
৪. নিমপাতা দিয়ে মুখ পরিষ্কার
কয়েকটি নিমপাতা সেদ্ধ করে সেই জল ঠান্ডা হওয়ার পর মুখ ধোয়ার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ত্বকের উপর জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য মিলতে পারে এবং ত্বক সতেজ থাকে।
৫. খাদ্যতালিকায় নিমের ব্যবহার
শুধু বাহ্যিক নয়, খাবারের মাধ্যমেও নিম গ্রহণ করা যায়। নিমপাতা ভাজা বা নিম-বেগুনের মতো ঐতিহ্যবাহী পদ পরিমিত পরিমাণে খাদ্যতালিকায় রাখলে শরীরে নিমের বিভিন্ন উপকারী উপাদান পৌঁছাতে পারে।
সতর্কতা
যাদের ত্বক খুব সংবেদনশীল, তারা নিমজাতীয় উপাদান ব্যবহারের আগে হাতে অল্প অংশে পরীক্ষা করে নিতে পারেন। ত্বকে জ্বালাভাব বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Etএই সহজ ঘরোয়া উপায়গুলি নিয়ম মেনে অনুসরণ করলে গরমের দিনে ত্বককে পরিষ্কার, সতেজ ও আরামদায়ক রাখতে সহায়তা মিলতে পারে।
Sumi has been waiting lifestyle, vastu Tips since 2026.