নতুন বছরের শুরুতেই ভয়াবহ শীতের কবলে বাংলা। হাড়-মজ্জা কাঁপানো ঠান্ডায় নাস্তানাবুদ জনজীবন। মঙ্গলবার ভোরে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা গত ১৩ বছরের মধ্যে জানুয়ারি মাসে সর্বনিম্ন। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি শীতের মরশুমে এটাই কলকাতার সবচেয়ে ঠান্ডা দিন।
শুধু তিলোত্তমা নয়, পারদের পতনে কাঁপছে গোটা দক্ষিণবঙ্গ। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ঠান্ডার দাপট আরও বেশি। বাঁকুড়া, বর্ধমান, পুরুলিয়া, শ্রীনিকেতন—এই সব এলাকায় তাপমাত্রা নেমেছে ৮ ডিগ্রিরও নিচে। শ্রীনিকেতনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে মাত্র ৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা কার্যত শীতপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
এক নজরে আজ রাজ্যের বিভিন্ন জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা জানাচ্ছে শীতের ভয়াবহতা। বর্ধমানে পারদ নেমেছে ৭.২ ডিগ্রিতে, বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুরে ৭.৮ ডিগ্রি, কৃষ্ণনগরে ৮.০ ডিগ্রি এবং অশোকনগরে ৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শিল্পাঞ্চল আসানসোল ও শিলিগুড়িতেও তাপমাত্রা ৮.৮ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে। উপকূলীয় দিঘা ও ডায়মন্ড হারবারেও ঠান্ডার কামড় স্পষ্ট, যেখানে পারদ ঘোরাফেরা করছে ৯ থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে।
উত্তরবঙ্গেও শীতের দাপট চরমে। দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পাহাড়ি এলাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত স্তব্ধ। কালিম্পংয়ে পারদ ৯ ডিগ্রির ঘরে থাকলেও হিমেল হাওয়ায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আপাতত এই তীব্র ঠান্ডা থেকে স্বস্তির কোনও ইঙ্গিত নেই। আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে জোরালো শীতের স্রোত বজায় থাকবে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনার সঙ্গে দার্জিলিঙে তুষারপাতের আশঙ্কাও প্রবল। সব মিলিয়ে আরও কয়েক দিন কনকনে শীতেই দিন-রাত কাটাতে হবে বাংলাবাসীকে।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.