প্রতিদিনের খাবারে সেদ্ধ ডিম অনেকেরই প্রিয়, কারণ এটি প্রোটিনে ভরপুর এবং স্বাস্থ্যকর। কিন্তু একই স্বাদের ডিম বারবার খেতে খেতে অনেক সময় একঘেয়েমি এসে যায়। বিশেষ করে যারা ডায়েট মেনে চলেন, তাঁদের জন্য এই একঘেয়েমি আরও বেশি বিরক্তিকর হয়ে উঠতে পারে। তবে খুব অল্প কিছু উপকরণ আর সামান্য সময় দিলেই সেই সাধারণ সেদ্ধ ডিম হয়ে উঠতে পারে দারুণ ঝাল-মশলাদার এক নতুন পদ।

রান্নার এই সহজ কৌশলটি জনপ্রিয় করেছেন বিখ্যাত রন্ধনশিল্পী Sanjeev Kapoor। তাঁর দেখানো এই রেসিপিতে সেদ্ধ ডিমকে দেওয়া হয় চিলি অয়েলের স্পেশাল টাচ, যা স্বাদে এনে দেয় একেবারে অন্য মাত্রা।
কেন এই রেসিপি এত জনপ্রিয়?
এই পদটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল—এতে খুব বেশি উপকরণ লাগে না। ঘরে থাকা সাধারণ মশলাই যথেষ্ট। পাশাপাশি এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনই পুষ্টিগুণেও ভরপুর। ডিমের প্রোটিনের সঙ্গে ঝাল-মশলার স্বাদ মিলিয়ে তৈরি হয় এক অনন্য কম্বিনেশন, যা শিশু থেকে বড়—সবাই পছন্দ করবে।
কীভাবে বানাবেন এই ঝাল ডিম?

প্রথমে কয়েকটি ডিম ভালো করে সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে নিন। চাইলে ডিমগুলিকে মাঝখান থেকে হালকা চিরে নিতে পারেন, এতে মশলার স্বাদ আরও ভালোভাবে ঢুকে যায়।
এরপর একটি প্যানে তেল গরম করুন। তেল গরম হলে তাতে রসুন কুচি দিয়ে হালকা ভেজে নিন, যতক্ষণ না সুন্দর গন্ধ বেরোয়। এরপর আঁচ কমিয়ে দিয়ে তাতে লাল লঙ্কার গুঁড়ো বা চিলি ফ্লেক্স, অল্প নুন এবং স্বাদ অনুযায়ী সামান্য সয়া সস মিশিয়ে নিন।
এই মশলাদার তেলই হল পুরো রেসিপির মূল আকর্ষণ। তাই এখানে আঁচ নিয়ন্ত্রণ করা খুব জরুরি—অতিরিক্ত গরমে লঙ্কা পুড়ে তেতো হয়ে যেতে পারে।
এরপর সেদ্ধ ডিমগুলো এই চিলি অয়েলের মধ্যে দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন, যাতে প্রতিটি ডিম সমানভাবে মশলায় মাখা হয়। কয়েক মিনিট রান্না করলেই তৈরি হয়ে যাবে এই সুস্বাদু পদ।
পরিবেশনের টিপস
শেষে উপরে কাঁচা পেঁয়াজ কুচি বা ধনেপাতা ছড়িয়ে দিলে স্বাদ আরও বেড়ে যায়। চাইলে একটু লেবুর রসও দিতে পারেন, এতে ঝাল-টক স্বাদের দারুণ মিশেল পাওয়া যাবে।
কেন একবার চেষ্টা করতেই হবে?
যাঁরা সেদ্ধ ডিম খেতে পছন্দ করেন না, তাঁদের মনও বদলে দিতে পারে এই রেসিপি। খুব কম সময় লাগে, উপকরণও সহজলভ্য—তাই ব্যস্ত দিনের জন্য এটি আদর্শ। স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে চাইছেন, কিন্তু স্বাদে কোনো কমতি চান না—তাহলে এই চিলি অয়েল এগস আপনার জন্য একদম পারফেক্ট।
একঘেয়ে ডায়েট ভেঙে এবার সেদ্ধ ডিমেই আনুন ঝাল-ঝাল নতুন চমক!

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.