রাতে কুলার চালানোর আগে সাবধান! ছোট ভুলেই বড় বিপদ

গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে সাধারণ মানুষের জীবন প্রায় অতিষ্ঠ। এই পরিস্থিতিতে অনেকের ঘরে আরাম পেতে ভরসা হয়ে উঠেছে এয়ার কুলার। তবে এই যন্ত্র ব্যবহারে সামান্য অসতর্কতাও ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। সম্প্রতি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর মতো ঘটনা সামনে আসায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। তাই কুলার ব্যবহারে কিছু বিষয় মাথায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

প্রথমত, কুলারে জল ভরার সময় বিশেষ সতর্ক থাকা প্রয়োজন। অনেকেই কুলার চালু রেখেই তাতে জল ঢেলে দেন, যা মারাত্মক ভুল। জল ও বিদ্যুতের সংস্পর্শ প্রাণঘাতী হতে পারে। তাই জল ভরার আগে অবশ্যই কুলারের প্লাগ খুলে নেওয়া উচিত। ভেজা হাতে সুইচ বা প্লাগ স্পর্শ করাও বিপজ্জনক।

দ্বিতীয়ত, কুলারের তার বা ওয়্যারিং নিয়মিত পরীক্ষা করা দরকার। দীর্ঘদিন ব্যবহৃত না হলে বা ইঁদুরের কারণে তারের আবরণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। বিশেষ করে লোহার বডির পুরনো কুলার হলে ঝুঁকি আরও বেশি। নিরাপত্তার জন্য আধুনিক প্লাস্টিক বা ফাইবার বডির কুলার ব্যবহার করা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ।

তৃতীয়ত, কুলার চালানোর সময় শরীরে শক লাগার মতো হালকা লক্ষণকে কখনও অবহেলা করা উচিত নয়। সুইচ ধরলে ঝটকা লাগা বা কুলারের গায়ে হাত দিলে সুড়সুড়ি অনুভব হওয়া বড় সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। এই ক্ষেত্রে দ্রুত কোনও দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ানের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন। অনেক সময় আর্থিং-এর সমস্যার কারণেই এমন হয়।

এছাড়া, স্নান করে ভেজা শরীরে বা ভেজা হাতে কুলার স্পর্শ করা বিপজ্জনক। জল বিদ্যুতের ভালো পরিবাহী হওয়ায় এতে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সবসময় শুকনো পায়ে এবং সম্ভব হলে রাবার বা প্লাস্টিকের চটি পরে কুলার ব্যবহার করা নিরাপদ।

সতর্কতা ও সচেতনতা বজায় রাখলে কুলার ব্যবহার যেমন স্বস্তিদায়ক, তেমনই নিরাপদও হতে পারে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক