‘নরককুণ্ড’ মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক, সাফাইয়ে ট্রাম্প বললেন—‘ভারত মহান দেশ’

মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলেন Donald Trump। একটি পুরনো চিঠি পুনরায় সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করাকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে এই বিতর্ক, যেখানে ভারত ও চিন সম্পর্কে অত্যন্ত বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়েছে।

চিঠিটি মূলত মার্কিন রেডিও উপস্থাপক Michael Savage-এর লেখা। সেই চিঠিতে ভারত ও চিনকে ‘নরককুণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, যা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। শুধু তাই নয়, চিঠির ভাষায় ভারতীয় ও চিনা অভিবাসীদের নিয়েও কড়া ও বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়েছে।

এই ঘটনায় ভারতের তরফে কূটনৈতিকভাবে সংযত প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র Randhir Jaiswal জানান, তারা বিষয়টি নজরে রেখেছেন, তবে আপাতত এ নিয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে চান না। তাঁর এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্য থেকেই বোঝা যায়, ভারত সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে কৌশলী অবস্থান নিয়েছে।

তবে পরিস্থিতি অন্য দিকে মোড় নেয় যখন ট্রাম্প নিজেই এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খোলেন। সমালোচনার মুখে পড়ে তিনি সুর কিছুটা নরম করে বলেন, “ভারত একটি মহান দেশ, এবং সেখানে আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু দেশের শীর্ষ পদে রয়েছেন।” যদিও তিনি সরাসরি বিতর্কিত মন্তব্যের দায় অস্বীকার করেননি, তাঁর এই বক্তব্য কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

চিঠিতে আরও দাবি করা হয়, জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের সুযোগ নিতে বহু ভারতীয় ও চিনা নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। এমনকি ‘বার্থ ট্যুরিজম’ ইস্যুতেও তীব্র মন্তব্য করা হয়েছে। সেখানে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ক্ষতির অভিযোগও তোলা হয়, যা অনেকের মতে বর্ণবিদ্বেষমূলক।

মাইকেল স্যাভেজ তাঁর লেখায় দাবি করেন, একসময় তিনি ভারতীয়দের সমর্থক ছিলেন, কিন্তু পরে তাঁর সেই দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ার প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান নিয়ে তাঁর ক্ষোভ এই মন্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে।

পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক স্তরে অভিবাসন, বর্ণবাদ এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক—এই তিনটি বিষয়ই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক