বাংলার নির্বাচনী আবহে বালিগঞ্জের এক ভোটকেন্দ্রে হঠাৎই নজর কাড়েন প্রবীণ অভিনেত্রী Moon Moon Sen। প্রখর রোদ আর দীর্ঘ লাইনের মধ্যেও তাঁর উপস্থিতিতে যেন আলাদা উচ্ছ্বাস তৈরি হয়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মেয়ে, অভিনেত্রী Raima Sen।
ভোট প্রদান শেষে যখন মা-মেয়ে বুথ থেকে বেরিয়ে আসেন, তখন সংবাদমাধ্যম ঘিরে ধরে তাঁদের। এই সময় আচমকাই মুনমুন সেনের মুখে শোনা যায়—“ভোট দিতে দেয়নি!”—যা মুহূর্তের জন্য সকলকে অবাক করে দেয়। কারণ, তাঁর আঙুলে তখন স্পষ্টই ভোটদানের কালি দেখা যাচ্ছিল।
কিছুক্ষণ পরেই তিনি নিজেই রহস্যভেদ করেন। গাড়ির ভেতরে থাকা তাঁর পোষ্য কুকুরের দিকে ইঙ্গিত করে হাসতে হাসতেই জানান, আসলে সেই আদরের সঙ্গীকেই ভোট দিতে দেওয়া হয়নি—এই নিয়েই তাঁর রসিকতা। মা-মেয়ের এই হালকা মেজাজের মুহূর্তে উপস্থিত সকলে হাসিতে ফেটে পড়েন।
সেদিন মুনমুন সেনের পরনে ছিল আসমানি নীল শাড়ি ও ফিরোজা গয়না, যা তাঁর ব্যক্তিত্বকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে। অন্যদিকে রাইমা সেনকে দেখা যায় সাদা-গোলাপি পোশাকে। তাঁদের উপস্থিতিতে ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ কিছুটা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, একসময় সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মুনমুন সেন। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন, যদিও পরে সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে আসেন। তবুও জনসমক্ষে তাঁর উপস্থিতি এখনও সমান আকর্ষণীয়।
এই ছোট্ট ঘটনাই দেখিয়ে দিল, রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেও সামান্য রসিকতা কীভাবে পরিবেশকে হালকা করে তুলতে পারে। মুনমুন সেনের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং রসবোধ সেই দিন বালিগঞ্জের ভোটপর্বে আলাদা মাত্রা যোগ করে।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.