ভোটের দিনে গণতন্ত্রের উৎসব যেমন থাকে, তেমনই কিছু জায়গায় অশান্তির খবরও সামনে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করলেন টেলিভিশনের পরিচিত মুখ Sudipa Chatterjee। ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পরেও ভোট দিতে এসে তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন এবং নিজের মতামত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।
সম্প্রতি স্বামীর অসুস্থতা এবং ননদের মৃত্যু—এই দু’টি বড় ধাক্কা সামলে ভোট দিতে যান সুদীপা। ভোট দেওয়ার পর তিনি জানান, নিজের দায়িত্ব পালন করতে পেরে ভালো লাগছে ঠিকই, তবে চারপাশে ঘটে চলা হিংসার ঘটনা তাকে ভাবাচ্ছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে যে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর আসছে, তা মোটেই কাম্য নয়। তার কথায়, যারা এই সংঘর্ষে জড়াচ্ছেন বা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তারা কেউ রাজনৈতিক নেতা বা মন্ত্রী নন—তারা সাধারণ মানুষ। তাই এই ধরনের ঘটনা তাকে ব্যথিত করে।
ভোট দেওয়ার সময় কী বিষয় মাথায় রেখেছিলেন—এই প্রশ্নের উত্তরে সুদীপা জানান, তিনি এমন এক সমাজ চান যেখানে আগামী প্রজন্ম স্বাধীনভাবে বড় হতে পারে। তিনি বিশেষ করে মেয়েদের স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করে বলেন, তারা যেন নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে, নিজের পছন্দমতো পোশাক পরতে পারে—এই অধিকার নিশ্চিত হওয়াই সবচেয়ে জরুরি।
গণতান্ত্রিক অধিকার সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত বলেও তিনি মনে করেন। তার মতে, এই মৌলিক অধিকার থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয়—এই প্রত্যাশাই তার প্রধান।
এদিনের একটি আবেগঘন মুহূর্তের কথাও তুলে ধরেন সুদীপা। তিনি জানান, আদিদেবের ভোট দিতে যাওয়ার প্রবল ইচ্ছে ছিল, কিন্তু তাকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তাই বাড়িতেই সে নিজের আঙুলে স্কেচ পেন দিয়ে ভোটের দাগের মতো চিহ্ন এঁকে নেয়—যদিও সেটি কিছুক্ষণের মধ্যেই মুছে যায়।
সব মিলিয়ে, ব্যক্তিগত দুঃসময়ের মধ্যেও সামাজিক দায়িত্ব এবং সচেতনতার বার্তা দিলেন সুদীপা, যা অনেকের মন ছুঁয়ে গিয়েছে।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.