শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথের খুনের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের রাস্তায় গাড়িতে যাওয়ার সময় আততায়ীদের গুলিতে নিহত হন তিনি। এই ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোকের ছায়া নেমে আসে রাজনৈতিক মহল থেকে টলিপাড়াতেও। বিশেষ করে গভীরভাবে ভেঙে পড়েছেন অভিনেত্রী তথা বিজেপি কর্মী মাফিন চক্রবর্তী।
মাফিন জানান, খুব অল্প সময়ের পরিচয় হলেও চন্দ্রনাথ রথের সঙ্গে তাঁর আত্মীয়তার মতো সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। বিজেপির হয়ে নির্বাচনী প্রচারের সময়ই তাঁদের আলাপ। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় বন্ধুত্বে পরিণত হয়। অভিনেত্রীর কথায়, চন্দ্রনাথ ছিলেন অত্যন্ত দায়িত্ববান এবং সাহায্যপ্রবণ মানুষ। প্রচারের কাজে কোথাও কোনও সমস্যা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতেন তিনি। যাতায়াতের জন্য গাড়ি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয়েও সাহায্য করতেন।
গত ১০ এপ্রিল শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন মাফিন চক্রবর্তী। এরপর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলের হয়ে প্রচারে অংশ নেন তিনি। সেই সময় থেকেই নিয়মিত যোগাযোগ তৈরি হয় চন্দ্রনাথ রথের সঙ্গে। মাফিনের দাবি, শুভেন্দুর অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহযোগী ছিলেন চন্দ্রনাথ এবং প্রায় সবসময়ই তাঁর সঙ্গে থাকতেন।
অভিনেত্রী আরও জানান, বুধবার রাতেও চন্দ্রনাথের সঙ্গে তাঁর মেসেজে কথা হয়েছিল। বিজেপি অফিসে যাওয়ার বিষয়টি জানিয়ে তিনি একটি বার্তা পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তার কোনও উত্তর আসেনি। কিছুক্ষণ পরেই চন্দ্রনাথ খুন হওয়ার খবর পৌঁছায় তাঁর কাছে। আচমকা এই খবর শুনে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি।
চন্দ্রনাথ রথের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ইতিমধ্যেই পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে পৌঁছেছেন মাফিন। শেষকৃত্যেও উপস্থিত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, এত অল্প সময়ের পরিচয়েও চন্দ্রনাথের আন্তরিকতা তাঁকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছিল। তাই তাঁর মৃত্যু ব্যক্তিগতভাবেও বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.