রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। রাজনৈতিক গুরুত্বের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক মহলেও এই অনুষ্ঠান ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। বিশেষ করে টলিপাড়ার কোন কোন পরিচিত মুখ সেখানে উপস্থিত থাকবেন, তা নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে।
জানা গিয়েছে, অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ পেয়েছেন এবং তিনি যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। নির্বাচনে জয়ী হওয়া বিজেপি বিধায়কদের পাশাপাশি দলের সমর্থক শিল্পী ও সাংস্কৃতিক জগতের একাধিক ব্যক্তিত্বও অনুষ্ঠানে হাজির থাকতে পারেন বলে খবর।
শিল্পী মহলের মধ্যে অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ, অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী এবং শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের নাম ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। সাংসদ-অভিনেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও অনুষ্ঠানে থাকতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। অভিনেত্রী অঞ্জনা বসুকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যেও বেশ কয়েকজনকে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে। পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী মমতা শঙ্কর জানিয়েছেন, তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সঙ্গীত জগতের বিশিষ্ট শিল্পী পণ্ডিত তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদারও উপস্থিত থাকার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী এবং তবলাশিল্পী পণ্ডিত কুমার বোসের উপস্থিতির সম্ভাবনাও রয়েছে।
এছাড়া সঙ্গীতশিল্পী পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য এবং নৃত্যশিল্পী সঞ্চিতা ভট্টাচার্য আমন্ত্রণ পেয়েছেন। যদিও তরুণ ভট্টাচার্য শহরের বাইরে থাকবেন বলে জানা গিয়েছে, সঞ্চিতা ভট্টাচার্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন।
দলীয় সূত্রে খবর, পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত আরও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকেও আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। অন্যদিকে, যেসব শিল্পী অতীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারমঞ্চে নিয়মিত মুখ ছিলেন, তাঁদের এই অনুষ্ঠানে দেখা যাবে কি না, তা নিয়েও টলিপাড়ায় চলছে জল্পনা।
সব মিলিয়ে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে ব্রিগেডের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শুধু প্রশাসনিক নয়, সাংস্কৃতিক মহলেও একটি উল্লেখযোগ্য আয়োজন হয়ে উঠতে চলেছে।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.