অভিনেত্রী ত্বিশা শর্মার রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। একসময় অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরে তিনি উচ্চশিক্ষা, চাকরি এবং ব্যক্তিগত জীবনকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর স্বামী সমর্থ সিংহ এবং শাশুড়ির বিরুদ্ধে পণের দাবিতে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে ঘিরেই সমাজের নারীবিদ্বেষী মানসিকতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিজেপি সাংসদ ও অভিনেত্রী Kangana Ranaut।
কঙ্গনা মনে করেন, বিবাহিত নারীদের উপর অত্যাচারের ঘটনা সমাজে নতুন নয়। তাঁর বক্তব্য, বহু শিক্ষিত নারী সংসারের দমবন্ধ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলেও অনেক সময় পরিবার বা সমাজের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সমর্থন পান না। বরং সমাজের একাংশ এখনও মেয়েদের বিয়ের পর তাদের সমস্যাকে গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখায়।
অভিনেত্রীর মতে, নারীদের জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত নিজেদের পরিচয় এবং পেশাগত স্থিতি। তিনি বলেন, সম্পর্ক বা বিবাহ জীবনের অংশ হলেও তা যেন কোনওভাবেই একজন নারীর স্বপ্ন বা কর্মজীবনের পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ক্ষমতা নারীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং কঠিন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস জোগায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিয়ে প্রসঙ্গে কঙ্গনা স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, সম্পূর্ণ স্বাবলম্বী হওয়ার পরেই জীবনের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। তাঁর কথায়, কোনও বাইরের মানুষের উপর নির্ভর না করে নারীদের নিজেদের রক্ষাকর্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কারণ আত্মনির্ভরশীলতাই একজন নারীর প্রকৃত শক্তি এবং স্বাধীন পরিচয়ের ভিত্তি।
ত্বিশা শর্মার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও সামনে এসেছে পণপ্রথা, গার্হস্থ্য নির্যাতন এবং বিবাহিত নারীদের নিরাপত্তার প্রশ্ন। সমাজের মানসিকতা বদলানো এবং নারীদের আর্থিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাই এই ঘটনার মাধ্যমে নতুন করে উঠে এসেছে।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.