Lifestyle: ত্বকের পাশাপাশি চুলেও চাই সানস্ক্রিন, গরমে চুল বাঁচাবেন কীভাবে?

গরম যত বাড়ছে, ততই ত্বকের যত্নে সানস্ক্রিন ব্যবহার এখন অনেকের নিত্যদিনের অভ্যাস। বাইরে বেরোনোর আগে মুখ, হাত কিংবা ঘাড়ে সানস্ক্রিন লাগাতে কেউ আর ভুল করেন না। কিন্তু একই সময়ে রোদের ক্ষতিকর প্রভাব যে চুলের উপরেও সমানভাবে পড়ে, সে বিষয়ে সচেতনতা এখনও খুব কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ধীরে ধীরে চুলের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট করে দেয়। ফলে চুল হয়ে পড়ে শুষ্ক, রুক্ষ এবং প্রাণহীন।

চুল মূলত ‘কেরাটিন’ নামের একটি বিশেষ প্রোটিন দিয়ে তৈরি। অতিরিক্ত রোদে এই প্রোটিনের গঠন দুর্বল হয়ে যায়। এর ফলে চুল তার স্বাভাবিক স্থিতিস্থাপকতা হারায় এবং খুব সহজেই ভেঙে যেতে শুরু করে। পাশাপাশি সূর্যের তাপে চুলের ভেতরের প্রাকৃতিক তেল ও আর্দ্রতা কমে যায়। তাই দীর্ঘ সময় রোদে থাকলে চুল দ্রুত রুক্ষ হয়ে ওঠে এবং জেল্লা হারায়।

শুধু চুলের গঠনই নয়, রোদ চুলের রঙের উপরেও প্রভাব ফেলে। সূর্যের আলো চুলের প্রাকৃতিক মেলানিন নষ্ট করে দেয়। এর ফলে কালো চুল ধীরে ধীরে তামাটে বা ফ্যাকাশে দেখাতে শুরু করে। যাঁরা চুলে কালার বা হাইলাইট করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও বেশি দেখা যায়। তীব্র রোদে সেই রঙ দ্রুত ফিকে হয়ে যেতে পারে।

চুলেও চাই সানস্ক্রিন
চুলেও চাই সানস্ক্রিন

এই কারণেই এখন চুলের জন্যও ‘এসপিএফ’ বা সান প্রোটেকশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন ধরনের হেয়ার সানস্ক্রিন পাওয়া যায়। পাউডার, স্প্রে এবং ক্রিম— এই তিন ধরনের পণ্যই এখন বেশ জনপ্রিয়। যাঁদের মাথার ত্বক তেলতেলে, তাঁদের জন্য পাউডার সানস্ক্রিন ভালো কাজ করে। এটি চুলে অতিরিক্ত তেলভাব কমিয়ে ভলিউমও বাড়াতে সাহায্য করে। অন্যদিকে শুষ্ক ও রুক্ষ চুলে স্প্রে সানস্ক্রিন দ্রুত আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে। মাথার ত্বকের সুরক্ষার জন্য লোশন বা ক্রিম-ভিত্তিক সানস্ক্রিনও ব্যবহার করা যেতে পারে।

রোদে বেরোনোর অন্তত কুড়ি মিনিট আগে চুলে এসপিএফ যুক্ত লিভ-অন কন্ডিশনার বা হালকা হেয়ার সিরাম ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। ইউভি-প্রোটেকশন স্প্রে চুলের উপর একটি সুরক্ষার স্তর তৈরি করে, যা সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে চুলকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

শুধু প্রসাধনী নয়, কিছু সাধারণ অভ্যাসও চুলকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। বাইরে বেরোলে ছাতা, টুপি বা সুতির স্কার্ফ ব্যবহার করলে সরাসরি রোদ থেকে চুলকে রক্ষা করা যায়। এছাড়া সপ্তাহে অন্তত একদিন হাইড্রেটিং হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করলে চুলের হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা ফিরে আসে। ঘরোয়া উপায়ে দই, মধু, ডিম কিংবা অলিভ অয়েল দিয়ে তৈরি হেয়ার প্যাকও চুলকে নরম ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে কার্যকর।

ত্বকের যত্নের পাশাপাশি চুলের প্রতিও সমান গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। কারণ গরমের তীব্র রোদে চুলের সুরক্ষা নিশ্চিত না করলে ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য দুটোই নষ্ট হতে পারে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক