Vastu: শনির দোষ থেকে রেহাই, কুনজরও থাকবে দূরে! কালো তিলের ৪ সহজ টোটকায় মিলতে পারে শুভ ফল

জীবনে সাফল্য পেতে পরিশ্রমের কোনও বিকল্প নেই। তবু অনেক সময় কঠোর পরিশ্রমের পরেও প্রত্যাশিত ফল মেলে না। একের পর এক বাধা, আর্থিক সমস্যা বা অশান্তি যেন পিছু ছাড়তে চায় না। জ্যোতিষ ও প্রচলিত শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এমন পরিস্থিতিতে হেঁশেলের অতি পরিচিত একটি উপাদান—কালো তিল—কিছু বিশেষ উপায়ে ব্যবহার করলে শুভ ফল পাওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে শনিবার এই টোটকাগুলি পালন করলে শনির অশুভ প্রভাব কমে, নজরদোষ দূর হয় এবং সংসারে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বাড়ে বলে মনে করা হয়।

১) কুনজর ও নেতিবাচক শক্তি দূরে রাখতে
শনিবার একটি লাল কাপড়ে কিছুটা কালো তিল বেঁধে বাড়ির সদর দরজার উপরে ঝুলিয়ে দিন। শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এতে বাড়ির নেতিবাচক শক্তি দূর হয় এবং পরিবারের সদস্যরা নজরদোষ থেকে সুরক্ষা পান।

২) শনির অশুভ প্রভাব কাটাতে
শনিবার রাতে কিছুটা কালো তিল একটি কালো কাপড়ে মুড়ে মাথার কাছে রেখে ঘুমিয়ে পড়ুন। পরদিন সকালে সেটি কোনও প্রবাহিত জলে বিসর্জন দিন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই উপায় জন্মছকে শনির অশুভ প্রভাব কমাতে সাহায্য করে।

৩) মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ লাভের জন্য
একটি মাটির প্রদীপে সর্ষের তেল দিয়ে প্রদীপ জ্বালান। এরপর কিছু কালো তিল কপালে স্পর্শ করিয়ে সেই প্রদীপে অর্পণ করুন এবং প্রদীপটি মা লক্ষ্মীর সামনে রেখে প্রার্থনা করুন। বিশ্বাস করা হয়, এই উপায়ে মা লক্ষ্মীর কৃপা লাভ হয় এবং সংসারে ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়।

৪) আটকে থাকা কাজ সফল করতে
একটি তামার ঘটিতে কিছু কালো তিল ও গঙ্গাজল নিয়ে অশ্বত্থ গাছের গোড়ায় অর্পণ করুন। শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এতে পিতৃপুরুষদের আশীর্বাদ লাভ হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হওয়ার পথ সুগম হয়।

Vastu: শ্রাবণে এই জিনিসগুলি বাড়িতে আনলে মিলতে পারে শুভ ফল, সংসারে আসবে সুখ-সমৃদ্ধি

মনে রাখবেন
উপরের সমস্ত উপায়ই জ্যোতিষ ও প্রচলিত শাস্ত্রীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। এগুলির কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তাই এগুলিকে ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের অংশ হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক