শাহরুখ-অজয়দের পান মশলার বিজ্ঞাপন নিয়ে সরব মুকেশ খান্না, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি

পান মশলার বিজ্ঞাপনে অভিনয় নিয়ে বলিউডের তিন তারকা শাহরুখ খান, অজয় দেবগন ও টাইগার শ্রফকে কড়া সমালোচনা করলেন অভিনেতা মুকেশ খান্না। তাঁর দাবি, এমন পণ্যের বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়ার জন্য ওই তারকাদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

সম্প্রতি ‘মহারাষ্ট্র ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ পান মশলার বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত বিষয়ে শাহরুখ খান, অজয় দেবগন ও টাইগার শ্রফকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই নিজের ভিডিওবার্তায় মুখ খুলেছেন ‘শক্তিমান’খ্যাত মুকেশ খান্না।

ভিডিওবার্তায় মুকেশ বলেন, এই তারকাদের নিজেদের ভুল স্বীকার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর কথায়, বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে জনপ্রিয় তারকারা সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব ফেলেন। তাই তাঁদের এমন বার্তা দেওয়া উচিত, যা সমাজকে ইতিবাচক পথে পরিচালিত করে। পান মশলা বা গুটখার মতো পণ্যের প্রচারে অংশ নেওয়া মোটেই সমর্থনযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিজ্ঞাপনে গেরুয়া রঙের ব্যবহার নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন মুকেশ খান্না। তাঁর মতে, গেরুয়া রং শৌর্য, বীরত্ব ও সাহসের প্রতীক। সেই রং ব্যবহার করে মানুষকে পান মশলা বা গুটখার মতো পণ্যের প্রতি আকৃষ্ট করা অবমাননাকর। এই ধরনের বিজ্ঞাপনে জনপ্রিয় শিল্পীদের অংশ নিতে দেখাকে ‘লজ্জাজনক’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

শুধু তারকাদের নয়, সরকারি পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মুকেশ। তাঁর প্রশ্ন, বিজ্ঞাপনগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের এত দেরি হল কেন? একইসঙ্গে মহারাষ্ট্র এফডিএ-র সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজ্ঞাপন সরিয়ে ফেলার পাশাপাশি শিল্পীদেরও নিজেদের সামাজিক দায়বদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন করে বিপাকে তারকারা
বিজ্ঞাপন করে বিপাকে তারকারা

মুকেশের মতে, জনপ্রিয় তারকাদের বিপুল প্রভাব রয়েছে। সেই প্রভাবকে বাণিজ্যিক স্বার্থের পাশাপাশি সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্যও ব্যবহার করা উচিত। তাঁর বার্তা, তারকাদের উচিত নিজেদের কাজের জন্য দায়িত্বশীল হওয়া এবং সাধারণ মানুষকে সঠিক পথে অনুপ্রাণিত করা।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক