Vastu: ঘরে আরশোলার উপদ্রব কি শুধু নোংরার লক্ষণ? বাস্তুমতে কী ইঙ্গিত দেয়, জানুন প্রতিকারও

ঘর যতই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হোক, অনেক সময় দেখা যায় আরশোলার উপদ্রব কমার বদলে আরও বাড়ছে। সাধারণভাবে এটি স্বাস্থ্যবিধি বা পরিবেশগত সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও, বাস্তুশাস্ত্রে এর ভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে। এই প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী, বাড়িতে হঠাৎ আরশোলার সংখ্যা বেড়ে যাওয়া কেবল পোকামাকড়ের সমস্যা নয়, বরং নেতিবাচক শক্তির উপস্থিতিরও প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।

বাস্তুশাস্ত্রে বলা হয়, আরশোলা রাহু ও কেতুর প্রভাবের সঙ্গে প্রতীকীভাবে যুক্ত। তাই ঘরে এদের আধিক্য বাড়লে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অস্থিরতা, উদ্বেগ, মানসিক চাপ বা অকারণ বিভ্রান্তি বাড়তে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়। যদিও এই ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, তবু বাস্তুচর্চায় এটি দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত।

এ ছাড়া মনে করা হয়, আরশোলার উপদ্রব বাড়ির ইতিবাচক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর ফলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে খিটখিটে মেজাজ, ভুল বোঝাবুঝি, অশান্তি এবং সম্পর্কের দূরত্ব তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে রান্নাঘর বা বাথরুমে বেশি আরশোলা দেখা গেলে বাস্তুমতে অগ্নি ও জল উপাদানের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে ধরা হয়।

Vastu: ঘরে আরশোলার উপদ্রব কি শুধু নোংরার লক্ষণ? বাস্তুমতে কী ইঙ্গিত দেয়, জানুন প্রতিকারও
Vastu: ঘরে আরশোলার উপদ্রব কি শুধু নোংরার লক্ষণ? বাস্তুমতে কী ইঙ্গিত দেয়, জানুন প্রতিকারও

বাস্তুবিশ্বাসে আরও বলা হয়, রান্নাঘর বা ভাঁড়ার ঘরে আরশোলার আধিক্য আর্থিক স্থিতিশীলতার উপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। উপার্জনের তুলনায় ব্যয় বৃদ্ধি, সঞ্চয় কমে যাওয়া বা অপ্রত্যাশিত খরচ বেড়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতিকে অনেকেই এর সঙ্গে যুক্ত করেন।

অনেক বাস্তুবিদ মনে করেন, বাড়ির কোনও অংশ দীর্ঘদিন অন্ধকার, স্যাঁতসেঁতে বা অযত্নে পড়ে থাকলে সেখানে স্থবির শক্তির সৃষ্টি হয়, যা আরশোলার উপদ্রব বাড়ানোর অন্যতম কারণ হতে পারে। একই সঙ্গে ঘন ঘন সিদ্ধান্ত বদল, গুরুত্বপূর্ণ কাজ দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা বা মানসিক অস্থিরতাকেও প্রতীকীভাবে এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

বাস্তুশাস্ত্রে কিছু সহজ প্রতিকারের কথাও উল্লেখ রয়েছে। যেমন, প্রতিদিন রাতে রান্নাঘর পরিষ্কার রাখা, এঁটো বাসন ফেলে না রাখা এবং খাবার ঢেকে রাখা। পাশাপাশি ঘরের কোণে কর্পূর বা লবঙ্গ রাখার প্রচলন রয়েছে, কারণ এগুলির গন্ধ আরশোলা দূরে রাখতে সাহায্য করতে পারে বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া ঘর মোছার জলে অল্প পরিমাণ রক সল্ট মেশানোর রীতিও অনেকেই অনুসরণ করেন। বাস্তুমতে এটি নেতিবাচক শক্তি কমাতে সহায়ক বলে বিশ্বাস করা হয়। বাড়ির স্যাঁতসেঁতে ও অন্ধকার অংশে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা করা এবং প্রয়োজন হলে প্রদীপ বা ধূপ জ্বালানোর কথাও বলা হয়।

তবে মনে রাখা জরুরি, আরশোলার উপদ্রবের প্রধান কারণ সাধারণত আর্দ্রতা, খাবারের অবশিষ্টাংশ এবং লুকিয়ে থাকার উপযুক্ত পরিবেশ। তাই বাস্তুর বিশ্বাস অনুসরণ করতে চাইলে তার পাশাপাশি নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং প্রয়োজনে কীটনাশক বা পেস্ট কন্ট্রোলের সাহায্য নেওয়াই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক