Lifestyle: রান্নাঘরে গ্যাস লিকের গন্ধ পেলে আতঙ্ক নয়, এই ভুলগুলো এড়িয়ে চললেই কমবে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

রান্নাঘরে হঠাৎ এলপিজি গ্যাসের তীব্র গন্ধ ভেসে এলে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিলে ছোট সমস্যা মুহূর্তের মধ্যে বড় দুর্ঘটনায় পরিণত হতে পারে। তাই গ্যাস লিকের সম্ভাবনা দেখা দিলে ঠান্ডা মাথায় সঠিক পদক্ষেপ নেওয়াই সবচেয়ে জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্যাস বাতাসের সঙ্গে মিশে দাহ্য পরিবেশ তৈরি করতে পারে। ফলে সামান্য একটি স্পার্ক থেকেও আগুন বা বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই কিছু সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আলো বা বৈদ্যুতিক সুইচ ব্যবহার করবেন না

Lifestyle: রান্নাঘরে গ্যাস লিকের গন্ধ পেলে আতঙ্ক নয়, এই ভুলগুলো এড়িয়ে চললেই কমবে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা
Lifestyle: রান্নাঘরে গ্যাস লিকের গন্ধ পেলে আতঙ্ক নয়, এই ভুলগুলো এড়িয়ে চললেই কমবে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

গ্যাসের গন্ধ পেলে অনেকেই প্রথমে আলো জ্বালাতে বা এক্সহস্ট ফ্যান চালাতে যান। কিন্তু সুইচ অন বা অফ করার সময় ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গ তৈরি হতে পারে, যা বিপদের কারণ হতে পারে। তাই কোনও বৈদ্যুতিক সুইচ স্পর্শ না করাই নিরাপদ।

আগুন জ্বালিয়ে লিকের উৎস খুঁজবেন না
দেশলাই, লাইটার বা মোমবাতি ব্যবহার করে কোথা থেকে গ্যাস বেরোচ্ছে তা খুঁজে দেখার চেষ্টা অত্যন্ত বিপজ্জনক। গ্যাস জমে থাকলে খোলা আগুনের সংস্পর্শে মুহূর্তের মধ্যে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মোবাইল ফোন ব্যবহারেও সতর্ক থাকুন
অনেকে ফোনের টর্চ জ্বালিয়ে পরিস্থিতি দেখতে চান বা সঙ্গে সঙ্গে ফোন করতে উদ্যোগী হন। তবে গ্যাসে ভরা ঘরের ভিতরে অপ্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার না করাই নিরাপদ। প্রথমে নিরাপদ স্থানে বেরিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় ফোন করা উচিত।

ঘর্ষণ তৈরি করতে পারে এমন কাজ এড়িয়ে চলুন
তাড়াহুড়ো করে এমন জুতো পরে হাঁটা বা এমন কোনও কাজ করা উচিত নয়, যাতে ঘর্ষণের ফলে স্ট্যাটিক বিদ্যুৎ তৈরি হতে পারে। যদিও এই ঝুঁকি তুলনামূলক কম, তবুও অতিরিক্ত সতর্ক থাকা বাঞ্ছনীয়।

মেইন সুইচ বন্ধ করতে গিয়ে ঝুঁকি নেবেন না
অনেকেই মনে করেন বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ করে দিলে নিরাপত্তা বাড়বে। কিন্তু যদি গ্যাস ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে সুইচ পরিচালনার সময় সৃষ্ট স্পার্ক বিপদের কারণ হতে পারে। তাই ঘরের ভিতরে থেকে এই কাজ না করাই ভালো।

গ্যাস লিকের গন্ধ পেলে কী করবেন?
*প্রথমেই শান্ত থাকুন এবং পরিস্থিতি বুঝে পদক্ষেপ নিন।
*সম্ভব হলে সিলিন্ডারের রেগুলেটর বন্ধ করুন।
*ঘরের সব জানলা ও দরজা খুলে প্রাকৃতিকভাবে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করুন।
*পরিবারের সকলকে দ্রুত নিরাপদ খোলা জায়গায় নিয়ে যান।
*বাইরে বেরিয়ে গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থা বা জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
*গ্যাসের গন্ধ সম্পূর্ণ দূর না হওয়া পর্যন্ত রান্নাঘরে আগুন বা বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার করবেন না।

উপসংহার
গ্যাস লিকের ঘটনায় আতঙ্ক নয়, সচেতনতা ও সঠিক সিদ্ধান্তই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা। কয়েকটি সাধারণ সতর্কতা মেনে চললে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। তাই পরিবারের প্রত্যেক সদস্যেরই এ বিষয়ে প্রাথমিক নিরাপত্তাবিধি জানা থাকা প্রয়োজন।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক