বাংলা চলচ্চিত্র জগতে নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে অভিনেতা Soham Chakraborty। অভিনেতার অভিযোগ, এক প্রযোজকের কাছ থেকে তিনি প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই টলিপাড়ায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্তও নিয়েছেন অভিনেতা।
সোহম জানান, মঙ্গলবার রাতে তাঁর কাছে একটি ফোন আসে। ফোনের অপর প্রান্তে ছিলেন প্রযোজক তরুণ দাস। অভিনেতার দাবি, কথোপকথনের এক পর্যায়ে তাঁকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর থেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে দেখছেন তিনি।
ঘটনার সূত্রপাত বেশ কয়েক বছর আগে। ২০১৮ সালে পরিচালক মহুয়া চক্রবর্তীর একটি বাংলা ছবিতে অভিনয়ের কথা ছিল সোহমের। সেই সময় নিয়ম মেনে অভিনেতাকে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে পরিচালক নাকি সোহমকে জানান, প্রযোজকের আচরণে তিনি অসন্তুষ্ট এবং সেই কারণে তিনি প্রজেক্ট থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও ছবির কাজ আর শুরু হয়নি।
সম্প্রতি প্রযোজক তরুণ দাস অভিনেতার কাছে অগ্রিম দেওয়া সেই অর্থ ফেরত দাবি করেন বলে জানা যায়। কিন্তু সোহমের বক্তব্য, চলচ্চিত্র জগতের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কোনও অভিনেতা নিজে থেকে ছবি ছেড়ে না গেলে অগ্রিম অর্থ ফেরত দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকে না। তাঁর দাবি, তিনি কখনও ছবিটি ছাড়েননি।
অন্যদিকে প্রযোজকের অভিযোগ, বহুবার শুটিংয়ের জন্য সময় চাওয়া হলেও সোহম নাকি ডেট দিতে পারেননি। সেই কারণেই ছবির কাজ এগোয়নি বলে দাবি তাঁর। যদিও এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন অভিনেতা। সোহমের কথায়, তিনি এমন ব্যস্ত ছিলেন না যে কাজের সময় দিতে পারতেন না। তাই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন।
অভিনেতার আরও দাবি, টাকা ফেরত না দেওয়ায় সম্প্রতি প্রযোজক তাঁর অফিসেও যান। সেখানেও তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এরপরই ফোনে হুমকির ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ।
এই পরিস্থিতিতে পুরো বিষয়টি নিয়ে আইনি পথে হাঁটার প্রস্তুতি নিচ্ছেন সোহম। ঘটনায় নতুন মোড় কী নেয়, এখন সেদিকেই নজর টলিউড মহলের।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.