ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে আবহাওয়া। শরৎ পেরিয়ে বাতাসে এখন শীতের আনাগোনা। হলুদ হতে শুরু করেছে গাছের পাতা। রাতে কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে চারিদিক। সকালে শিশির জানান দিচ্ছে শীত একেবারে দোরগোড়ায়। তাই এমন সময় শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে বাড়ির ছোটো সদস্যদের শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এইসময় তাদের সাবধানে রাখতে হবে।
বাড়িতে যদি ছোটো সদস্য থাকে তবে ভোরের দিকে ফ্যানের স্পিড কমিয়ে দিন এবং ছোটোদের গায়ে হালকা চাদর চাপা দিন। খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চা যাতে ঘেমে না যায়। ভোরে ঘরের জানালা বন্ধ করে দিন। সকালে রোদ উঠলে আবার খুলে দিন। বাড়ির ছোটো সদস্য যদি সকালে স্কুলে যায় তবে তার গলায় ও মাথায় স্কার্ফ জড়িয়ে দিন।
এইসময় সবজির রমরমা থাকে। প্রত্যেকের বাড়িতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, সিম সবজি রান্না হয়। রাত্রে বাচ্চাদের এসব সবজি দেওয়া থেকে এড়িয়ে চলুন। সাত বছরের নীচে যাদের বয়স তাদের এসব না দেওয়াই ভালো। এসব সবজি খেলে অনেকসময় পেট গোলমাল করে। তাই রাতের খাবারে এসব সবজি ছোটো বাচ্চাকে দিলে তার সমস্যা হতে পারে।
এইসময় বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে। তাই এইসময় বাচ্চাকে স্নানের সময় ভালো ব্র্যান্ডের তেল মাখান। যদি বাচ্চার বয়স ৫ বছরের কম হয় তবে তার পরিচর্যা করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এছাড়া বাচ্চার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলার জন্য ভিটামিন সি যুক্ত ফল খাওয়াতে পারেন।
বাচ্চার ঠান্ডা লেগে জ্বর এলে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনও ওষুধ খাওয়াবেন না। যদি জ্বর দু’দিনের বেশি থাকে তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এইসময় বাচ্চাকে মুখরোচক কিছু করে খাওয়াতে পারেন। তবে বেশি শরীর খারাপ হলে বাচ্চাকে স্কুলে না পাঠানোই ভালো।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.