বর্তমানে মানুষের ব্যস্ত জীবনে সময় বের করা একটি দুর্লভ কাজ। অনেকেই ব্যস্ত জীবনে ব্যায়াম করার সময়টুকু পান না। রাতে ঘুম কম হলে সকালে উঠতেও অসুবিধা হয়। কাজে মন বসাতে পারেন না অনেকে। কিন্তু সকালে নিয়মিত শরীরচর্চা করলে শরীর ও মন দু’টিই তরতাজা হয়ে ওঠে। মাত্র আধ ঘন্টা শরীরচর্চা করলেই পাবেন দারুণ ফল। তবে সময়ের অভাবে অনেকেই এই ইচ্ছে পূরণ করতে পারেন না। তবে একেবারে হাতে সময় না থাকলে খাওয়াদাওয়ার এক ঘন্টা পর কয়েকটি আসন অভ্যাস করতে পারেন।
বদ্ধকোণাসন – প্রথমে কোমর ও পিঠ টানটান করে মাটিতে বসতে হবে। দুই হাঁটু ভাজ করে যোনির কাছে টেনে বসতে হবে। পায়ের পাতা মুখোমুখি প্রণামের ভঙ্গিতে রাখতে হবে। এরপর লম্বা শ্বাস নিয়ে কোমরের পেশি থেকে টেনে সামনের দিকে ঝুঁকতে হবে। পেট মুড়ে মাথা দিয়ে মাটি স্পর্শ করতে হবে। এভাবে দুই মিনিট বদ্ধকোণাসন করতে হবে। তবে এই আসন করার সময় খেয়াল রাখতে হবে মেরুদণ্ড যেনো ভাঁজ না হয়৷ এই অবস্থায় দুই মিনিট আসনটি করে ফের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে হবে।
আরও পড়ুন,
*Dalljiet Kaur: মুছে ফেলেছেন পটেল উপাধি, ফের সংসার ভাঙছে দলজিতের!
*বুকে ব্যথা, স্ট্রোক এ সব ভুয়ো খবর! মিঠুন প্রসঙ্গে সরব পুত্রবধূ মাদলসা শর্মা
বজ্রাসন – প্রথমে সোজা হয়ে বসে সামনের দিকে পা ছড়িয়ে দিতে হবে। পায়ে হাঁটু মুড়ে তার উপর বসতে হবে। গোড়ালি জোড়া করে রাখুন। এইসময় মেরুদণ্ড থাকবে একেবারে সোজা। যাদের শরীরে অতিরিক্ত মেদ তারা এই আসনটি করলে মেদের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। এছাড়া এই আসনটি পেটের তলদেশে রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে।
বালাসন – হামাগুড়ি দেওয়ার ভঙ্গিতে মেঝেতে বসতে হবে। এরপর ধীরে ধীরে গোটা শরীর পিছনে নিয়ে গিয়ে নিতম্ব পায়ের গোড়ালির উপর রাখতে হবে। হাত দু’টো পিছনে নিয়ে গিয়ে তালু উল্টো করে পায়ের কাছে রাখতে হবে। যাদের অত্যাধিক মানসিক চাপ পড়ে কিংবা রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এই আসন।
নাড়িশোধন প্রাণায়াম – এই আসনটি করার জন্য ডান হাতের আঙুলগুলি মুখের সামনে এনে তর্জনী ও মধ্যমাকে হালকা ভাবে দুই ভুরুর মাঝে রাখতে হবে। বুড়ো আঙুলকে ডান নাকের ছিদ্রে ও অনামিকাকে বাঁ নাকের ছিদ্রে রেখে যতটা সম্ভব শ্বাস নিতে হবে। এরপর অনামিকা দিয়ে ডান নাকের ছিদ্র চেপে বাঁ নাক দিয়ে শ্বাস ছাড়তে হবে এবং বাঁ নাকের ছিদ্র চেপে ডান নাক দিয়ে শ্বাস ছাড়ুন। এভাবে ১৫ বার করতে হবে।
পবনমুক্তাসন – সোজা হয়ে মাটিতে শুয়ে শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে প্রথমে ডান পায়ের হাঁটু ভাঁজ করে বুকের কাছে এনে দু’হাত দিয়ে চেপে রাখতে হবে। হাঁটু বুক ও পেটের সংস্পর্শে থাকবে। এরপর ডানদিক করার পর ফের একইভাবে বাঁ দিক করতে হবে। প্রতিদিন এটি ৪ থেকে ৫ মিনিট করলে শরীর থাকবে ভালো ও দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতন সমস্যা।
আরও পড়ুন,
*গুরুতর অসুস্থ মিঠুন চক্রবর্তী, ব্রেন স্ট্রোক অভিনেতার!
*সুশান্ত সিং রাজপুতের নাম ভাঙিয়ে জিততে চেয়েছেন ‘বিগ বস্’? কী উত্তর দিলেন অঙ্কিতা লোখন্ডে

Hello, I am Biplab Baroi. I have been working in blogging for more than four years. I began my journey in the digital media industry in 2021.
Along with covering daily news and current events, I write articles on tech news, smartphones, and astrology. My work is created strictly for educational purposes use only.