‘টক্সিক’ ছবির ঝলক প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে চর্চার কেন্দ্রে রয়েছে যশ(Yash) ও কিয়ারা আডবাণী(Kiara Advani)-র রসায়ন। বিশেষ করে ছবির ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে নানা মহলে সমালোচনাও হয়েছে। এ বার সেই বিতর্কের আবহেই ছবিতে থাকা যৌনদৃশ্য এবং সেগুলির উপস্থাপনা নিয়ে মুখ খুললেন দক্ষিণী তারকা যশ।
‘টক্সিক’-এ শুধু কিয়ারার সঙ্গেই নয়, তারা সুতারিয়ার সঙ্গেও যশকে একাধিক ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে দেখা যাবে। ছবির একটি দৃশ্যে অভিনেতাকে নগ্ন অবস্থাতেও দেখা গিয়েছে। তবে যশের দাবি, ছবিতে যৌনতার উপাদান থাকলেও তা কোনও ভাবেই অশালীন নয়। অভিনেতার কথায়, “অশালীনতা মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়। আপনারা ভাল করে দেখলে বুঝবেন, আমি তো চুম্বন পর্যন্ত করিনি। সব কিছুরই একটা সীমা আছে, আমরা সেটা বুঝি।”
‘দৃশ্যগুলিকে সুন্দর ভাবে ক্যামেরাবন্দি করতে হয়’
ঘনিষ্ঠ দৃশ্য কী ভাবে পর্দায় উপস্থাপন করা হবে, সেই বিষয়েও নিজের মত জানিয়েছেন যশ। তাঁর মতে, এ ধরনের দৃশ্যের ক্ষেত্রে নির্মাণশৈলী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দৃশ্যকে নান্দনিক ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার দায়িত্ব মূলত একজন স্রষ্টার। যশের বক্তব্য, ছবিতে থাকা বিষয়গুলিকে “সুন্দর ভাবে ক্যামেরাবন্দি করতে হয়”। তাঁর মতে, দর্শকের কাছে কোনও দৃশ্যের উপস্থাপন কেমন হবে, সেটিই শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
অভিনেতা আরও জানিয়েছেন, ‘টক্সিক’ মূলত নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কথা মাথায় রেখেই তৈরি। তাই ছবিটিকে উদার মন নিয়ে দেখার আবেদনও করেছেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর দাবি, বড় পর্দায় ছবিটি দেখলেই এর আবহ এবং অভিজ্ঞতা সবচেয়ে ভাল ভাবে উপভোগ করা যাবে।
‘টক্সিক’-এর ‘তবাহী’ গান প্রকাশ্যে আসার পর যশ ও কিয়ারার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। কিয়ারাকে নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা মন্তব্য দেখা যায়। এমন পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যেই অভিনেত্রীর পাশে দাঁড়িয়েছেন যশ। ছবির ঝলক প্রকাশের অনুষ্ঠানে যশ জানান, ট্রেলারে দর্শক কিয়ারার চরিত্রের খুব সামান্য অংশই দেখতে পেয়েছেন। ছবিতে তাঁর অভিনয় আরও অনেক বেশি নজর কাড়বে বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে কিয়ারার নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের প্রশংসাও করেছেন অভিনেতা।
‘সমালোচনা নিয়ে ভাবার প্রয়োজন নেই’
অভিনেতাদের কাজের ক্ষেত্রে সমালোচনা আসবেই—এমনটাই মনে করেন যশ। তাঁর মতে, প্রতিটি শিল্পীকে নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করে যেতে হবে। দর্শক শেষ পর্যন্ত সেই কাজেরই মূল্যায়ন করবেন। যশের কথায়, “একজন অভিনেতা হিসেবে অনেক সময় নানা ধরনের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। কিন্তু সেগুলো নিয়ে ভাবার প্রয়োজন নেই। নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করে যেতে হবে। মানুষ শেষপর্যন্ত সেই কাজেরই প্রশংসা করবে। হয়তো আমরা সময়ের থেকে একটু এগিয়ে আছি।”
‘টক্সিক’ নিয়ে তাই বিতর্ক যতই থাকুক, যশের বক্তব্যে স্পষ্ট—ছবির ঘনিষ্ঠ দৃশ্যগুলিকে তিনি অশালীনতার বদলে গল্প ও নান্দনিক উপস্থাপনার অংশ হিসেবেই দেখছেন। এখন বড় পর্দায় ছবিটি দর্শকদের কতটা প্রভাবিত করতে পারে, সেটাই দেখার।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.