সামনেই পুজো। আর এবারের পুজোতে শিলিগুড়িতে পুজো পরিক্রমার জন্য উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন নিগম বিশেষ পুজো পরিক্রমা প্যাকেজ বাস চালানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এই বাসে করে সমস্ত বড় বড় পুজোগুলি ঘুরিয়ে দেখানো হবে। চতুর্থী ও পঞ্চমীতে যারা যারা পুজো ঘুরে দেখতে চান তাদের নিয়ে বড় বাজেটের পুজোগুলি দেখার ব্যবস্থা করা হবে। জানা যাচ্ছে, দর্শনার্থীরা এই বাসে করে পুজো পরিক্রমা করলে প্রতিজনের মাথাপিছু ৩৫০ টাকা করে ধার্য করা হবে।
এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর দীপঙ্কর পিপলাই জানিয়েছেন, পুজোতে শিলিগুড়ি শহরে পুজো পরিক্রমা প্যাকেজ হচ্ছে। গত বছর একদিন করা হলেও এবার দর্শনার্থীদের অনুরোধে এবং চাহিদা অনুযায়ী দু’দিন করা হচ্ছে। তার প্রস্তুতি চলছে। জানা যাচ্ছে, ওই দিন প্রথম শিলিগুড়ির চম্পাসারির শ্রীগুরু বিদ্যামন্দিরের পুজো দিয়ে দর্শনার্থীদের নিয়ে পরিক্রমা শুরু হবে।
এরপর সেখান থেকে সেন্ট্রাল কলোনি, দাদাভাই স্পোর্টিং হয়ে সুব্রত সংঘ, ভুটিয়া মার্কেট এলাকার দুর্গাপুজো হয়ে সুভাষপল্লি, রবীন্দ্রনগর, রথখোলার পুজো দেখার পর পানিট্যাঙ্কি মোড়ের রামকৃষ্ণ ব্যায়ামাগার পুজো দিয়ে পরিক্রমা শেষ হবে। এরপর পরিক্রমা শেষ হলে তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনাসে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হবে। জানা যাচ্ছে, ৩০ জন্য দর্শনার্থী বসার একটি বাসের বন্দোবস্তো করা হয়েছে।
এছাড়া বাসে বাসচালক ছাড়া আরেকজন ব্যক্তি থাকবেন। তিনিই মূলত পরিক্রমার সবকিছু পরিচালনা করবেন। জানা যাচ্ছে, চতুর্থীর দিন সন্ধ্যাবেলায় কফি খাওয়া থেকে শুরু হবে বাসের পরিক্রমা। তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনাস থেকে সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে বাসযাত্রা। তাই তার কিছুক্ষণ আগে দর্শনার্থীদের হাজির হতে বলা হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে অফলাইনে টিকিট বুক করতে পারবেন দর্শনার্থীরা।
তেনজিং নোরগে বাসস্ট্যান্ড থেকে টিকিট বুক করতে পারবেন যাত্রীরা। দর্শনার্থীদের নিয়ে বাস যেমন পরিক্রমা করবে তেমনই ওইদিন রাতের খাবার দেওয়া হবে। আর সেই মেনুতে থাকছে ভেজ বিরিয়ানি, শাহি পনির, মিষ্টি এবং জলের বোতল। এসবের পাশাপাশি চায়ের ব্যবস্থা থাকবে পরিক্রমা চলাকালীন। তবে মেনুর কিছু অদলবদল হতে পারে সময় বিশেষে।
আরও পড়ুন,
*রাজকে ছেড়ে কার সঙ্গে ডেটে গেলেন শুভশ্রী?

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.