চন্দ্রনাথ রথ খুনে বড় অগ্রগতি, উত্তরপ্রদেশ থেকে ধৃত ৩ শার্প শুটার

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথ খুনকাণ্ডে বড় সাফল্য পেল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও সিআইডি। উত্তরপ্রদেশ থেকে তিনজন পেশাদার শার্প শুটারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, খুনের ঘটনায় এদের সরাসরি যোগ রয়েছে। ধৃতদের ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে আনা হয়েছে এবং ভবানী ভবনে সিআইডি আধিকারিকরা তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। আজ তাঁদের বারাসত আদালতে তোলা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা পালানোর সময় বালি টোল প্লাজায় ইউপিআই-এর মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করেছিল। সেই ডিজিটাল লেনদেনের সূত্র ধরেই তদন্তকারীরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে পান। এরপরই উত্তরপ্রদেশে পৌঁছে অভিযান চালিয়ে তিন শার্প শুটারকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে খুনে ব্যবহৃত গাড়ির নম্বর প্লেট ভুয়ো বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে, আসল নম্বরের গাড়িটি উত্তরবঙ্গের এক ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত ছিল। তিনি অনলাইনে গাড়ি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। সেই সূত্রে উত্তরপ্রদেশ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল তাঁর সঙ্গে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, সেই যোগাযোগ থেকেই খুনের চক্রের হদিশ মেলে।

গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে নিজের বাড়ির দিকে ফিরছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। রাত ১০টা থেকে ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম হন চন্দ্রনাথ ও তাঁর চালক বুদ্ধদেব বেরা। দ্রুত তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা চন্দ্রনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাঁর বুকে দুটি গুলি লাগে, যা হৃদপিণ্ড ভেদ করে যায়। এছাড়াও পেটের কাছেও একটি গুলি লাগে।

পুলিশের অনুমান, পুরো খুনের ঘটনায় অন্তত সাত থেকে আটজন জড়িত ছিল। এই হামলায় দুটি গাড়ি ব্যবহার করা হয় বলে তদন্তে জানা গেছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্তকারীরা একটি লাল রঙের গাড়ির সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করেন। ধারণা করা হচ্ছে, হামলার পর অভিযুক্তদের কয়েকজন ওই গাড়িতে করেই পালিয়ে যায়।

তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, খুনে ব্যবহৃত নিসান মাইক্রা গাড়ির সমস্ত পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। চ্যাসিস নম্বর ঘষে ফেলা হয়, এমনকি গাড়ির রেডিয়েটরের পাশের স্টিকারও তুলে দেওয়া হয়েছিল। গাড়ির ভিতর থেকেও কোনও আঙুলের ছাপ মেলেনি।

এর আগে এই ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি বাইক উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথম বাইকটি উদ্ধার হয় এয়ারপোর্ট এলাকার একটি আবর্জনার স্তূপ থেকে। পরে বারাসতের ১১ নম্বর রেলগেটের সামনে থেকে দ্বিতীয় বাইকটি পাওয়া যায়। দুটি বাইকেরই নম্বর প্লেট ভুয়ো ছিল এবং ইঞ্জিন ও চ্যাসিস নম্বর নষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে জানা যায়, প্রথম বাইকটি দমদম এলাকার এক বাসিন্দার, যা প্রায় আড়াই মাস আগে চুরি হয়েছিল।

এখন তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য, এই খুনের পিছনে কারা ছিল এবং কেন চন্দ্রনাথ রথকে টার্গেট করা হয়েছিল, সেই রহস্য উদঘাটন করা। স্থানীয় অপরাধচক্রের সহায়তায় পেশাদার খুনিদের ব্যবহার করা হয়েছে বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করছে সিআইডি।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক