অবশেষে জামিন পেলেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সন্ন্যাসী তথা ইসকনের প্রাক্তন নেতা চিন্ময়কৃষ্ণ দাস। বুধবার তাঁর জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে বাংলাদেশের হাই কোর্ট। গত ২৫ নভেম্বররাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে চিন্ময়কৃষ্ণকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তিনি ৫ মাসের বেশি সময় ধরে জেলে রয়েছেন।
সূত্র মারফত খবর, হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর চিন্ময়কৃষ্ণের জেলমুক্তি হবে বলেই মনে করা হচ্ছে এমনটা আইনজীবী প্রহ্লাদ দেবনাথ জানিয়েছেন। তবে যদি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ হাই কোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দেয়, তবে জেল থেকে এখনই চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ছাড়া পাবেন না।
বাংলাদেশের হাই কোর্টে বুধবার শুনানি শেষে বিচারপতি আতোয়ার রহমান খান এবং আলি রেজার যৌথ বেঞ্চ চিন্ময়কৃষ্ণের জামিনের আবেদনটি মঞ্জুর করে। চিন্ময়কৃষ্ণের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ ছিল। রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছিল বাংলাদেশ পুলিশ।
তার পর থেকে বহু বার তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে হাই কোর্টে। চিন্ময়কৃষ্ণের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল চট্টগ্রামে। চিন্ময়কৃষ্ণের মামলায় দেখা গিয়েছে, আইনজীবীদের ভয় দেখানোর অভিযোগ, শুনানির দিন তাঁর পক্ষে আইনজীবী আদালতে হাজির হতে না পারা, আদালতচত্বরে বিস্তর অশান্তি, অশান্তিতে এক জনের মৃত্যুও হয়েছে।
বাংলাদেশের শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। তারাই বর্তমানে বাংলাদেশের ক্ষমতায় রয়েছে। অভিযোগ, হাসিনা দেশ ছাড়ার পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার বেড়ে গিয়েছে। দেশের নানা প্রান্ত থেকে বার বার এই সংক্রান্ত অশান্তির খবর এসেছে। তারই মাঝে সংখ্যালঘু সন্ন্যাসীর গ্রেফতারি যেন ধুনোচিতে ধুপ দেওয়া। চিন্ময়কৃষ্ণের গ্রেফতারির পাঁচ মাস পর অবশেষে তিনি জামিন পেলেন।

Hello, I am Biplab Baroi. I have been working in blogging for more than four years. I began my journey in the digital media industry in 2021.
Along with covering daily news and current events, I write articles on tech news, smartphones, and astrology. My work is created strictly for educational purposes use only.