শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রী হতেই ফের অবস্থান বদল! সোহেল দত্তকে ঘিরে নতুন বিতর্ক

বাংলার রাজনীতিতে দলবদল বা অবস্থান পরিবর্তনের ঘটনা নতুন নয়। তবে অভিনেতা সোহেল দত্তকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক আবারও সেই রাজনৈতিক বাস্তবতাকেই সামনে এনে দিল। একসময় বিজেপির সক্রিয় মুখ হিসেবে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। পরে তৃণমূল কংগ্রেসে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে প্রকাশ্যে বিজেপির সমালোচনাও করেছিলেন। অথচ এবার শুভেন্দু অধিকারীর নাম বাংলার প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণার পর তাঁকেই শুভেচ্ছা জানিয়ে নতুন বিতর্কে জড়ালেন অভিনেতা।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় টলিউডের একাধিক পরিচিত মুখ বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। সেই সময় গেরুয়া শিবিরে নাম লেখান সোহেল দত্তও। রাজনৈতিক মহলে তখন তাঁর সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর সুসম্পর্ক নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছিল। সোহেল নিজেও জানিয়েছিলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণেই তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন।

তবে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিজেপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়তে শুরু করে। প্রায় দু’বছরের মধ্যেই দল ছাড়েন তিনি। এরপর প্রকাশ্যে বিজেপির নীতির সমালোচনা করেন এবং দাবি করেন, সেই দলের আদর্শের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেননি। এমনকি শুভেন্দু অধিকারীকেও কটাক্ষ করে মন্তব্য করেছিলেন যে, তাঁকে বিশ্বাস করাই নাকি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বড় ভুল ছিল।

Suvendu

বিজেপি ছাড়ার পর ধীরে ধীরে তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে দেখা যেতে থাকে সোহেলকে। ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের সভা থেকে শুরু করে নির্বাচনী প্রচার— নানা ক্ষেত্রেই সক্রিয় ছিলেন তিনি। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটেও তৃণমূলের প্রচারে অংশ নেন অভিনেতা। ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রোড শোতেও তাঁকে হাঁটতে দেখা যায়। সেই সময় তিনি প্রকাশ্যে ‘দিদিতেই শান্তি’ মন্তব্য করেও শিরোনামে এসেছিলেন।

কিন্তু রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর পর ফের নতুন মোড়। সম্প্রতি অমিত শাহ শুভেন্দু অধিকারীর নাম বাংলার বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা বার্তা পোস্ট করেন সোহেল দত্ত। সেখানে তিনি শুভেন্দুর নেতৃত্বে বাংলার উন্নয়ন এবং বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের অগ্রগতির আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি পুরনো একটি ছবিও শেয়ার করেছিলেন অভিনেতা।

তবে পোস্টটি সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই তাঁর অবস্থান পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং ‘পাল্টিবাজ’ বলে কটাক্ষ করতে শুরু করেন। বিতর্ক বাড়তেই পরে সেই ছবি সরিয়ে ফেলেন সোহেল দত্ত বলে জানা যায়।

এই ঘটনাকে ঘিরে আবারও প্রশ্ন উঠেছে, রাজনীতিতে ব্যক্তিগত সম্পর্ক, আদর্শ এবং সুবিধাবাদের সীমারেখা কোথায়? অভিনেতার এই অবস্থান বদল ঘিরে রাজনৈতিক মহল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন তুমুল আলোচনা চলছে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক