ফলতায় কড়া বার্তা! ‘বাড়িতে যেন কেউ না থাকে’, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

ফলতায় বিক্ষোভ ও পুলিশকে ঘিরে উত্তেজনার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার ফলতা সফরে গিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর হামলা বা প্রশাসনের কাজে বাধা সৃষ্টি করার কোনও প্রচেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ-সহ কঠোর ধারায় মামলা করার নির্দেশও তিনি দিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া এক বিতর্কিত স্থানীয় নেতার মুক্তির দাবিতে কিছু মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। অভিযোগ, ওই নেতার স্ত্রীর নেতৃত্বে একদল বিক্ষোভকারী থানার সামনে জড়ো হয়ে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করে এবং পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজে বাধা দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে প্রশাসনের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

ফলতায় একটি সরকারি কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, যাঁরা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন তাঁদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। তিনি জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখে প্রত্যেক অভিযুক্তকে চিহ্নিত করতে এবং দ্রুত আইনের আওতায় আনতে। তাঁর বক্তব্য, কেউ যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, আইন সবার জন্য সমান।

এদিন তিনি আরও বলেন, রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কোনও অপরাধচক্র, মাফিয়া বা প্রভাবশালী গোষ্ঠীকে প্রশাসনের উপরে প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না। আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সরকারি কর্মী, পুলিশ বা আধাসামরিক বাহিনীর উপর হামলার ঘটনা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি জানান, যারা সংগঠিতভাবে হামলা বা অশান্তি তৈরির সঙ্গে যুক্ত, তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া মেনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার গ্রেফতার হওয়া ওই নেতাকে পুলিশি হেফাজতে এলাকায় নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে কোমরে দড়ি বেঁধে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁর সমর্থকদের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ও পথ অবরোধের ঘটনাও সামনে আসে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযান চলাকালীন বহু মানুষ দ্রুত এলাকা ছাড়ার চেষ্টা করছেন। রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। একদিকে প্রশাসনের কড়া অবস্থান, অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের প্রতিক্রিয়া— সব মিলিয়ে ফলতার পরিস্থিতি এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক