বকখালির জঙ্গলে বালির নীচে মিলল নিখোঁজ বধূর দেহ, গ্রেফতার প্রেমিক

প্রায় তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ থাকার পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার বকখালির হেনরি আইল্যান্ড সংলগ্ন গভীর জঙ্গল থেকে এক বিবাহিত মহিলার পচাগলা দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম রাবিয়া ফকির (৩৪)। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করছে, তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিল এবং পরে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে বালির নীচে দেহ পুঁতে রাখা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়নগরের বকুলতলা থানা এলাকার বাসিন্দা রাবিয়ার সঙ্গে একই এলাকার বাসিন্দা জহিরুল সর্দারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তবে গত কয়েক মাস ধরে তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিরোধ ও অশান্তি তৈরি হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান।

গত ২৬ মে আচমকাই নিখোঁজ হয়ে যান রাবিয়া। পরিবারের সদস্যরা বহু খোঁজাখুঁজির পর বকুলতলা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করেন। তদন্ত শুরু করে পুলিশ বিভিন্ন সূত্র খতিয়ে দেখতে থাকে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে গত ১৮ জুন জহিরুল সর্দারকে আটক করা হয়।

পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্ত স্বীকার করেন যে, তিনি রাবিয়াকে বকখালিতে নিয়ে গিয়েছিলেন। এরপর হেনরি আইল্যান্ডের নির্জন জঙ্গলে তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় এবং দেহ বালির নীচে চাপা দিয়ে রাখা হয়।

শুক্রবার বকুলতলা থানার পুলিশ ও ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ অভিযুক্তকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে বালির নীচ থেকে দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কাকদ্বীপ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মৃতার ভাই আশরফ ফকির অভিযোগ করেছেন, জহিরুল পরিকল্পিতভাবে তাঁর দিদিকে সম্পর্কের ফাঁদে জড়িয়ে পরে খুন করেছেন। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, কিংবা হত্যার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তকারীরা বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে ঘটনার পূর্ণ রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক