Lifestyle: সন্তানের লিভার সুস্থ তো? চুলকানি, কালশিটে দাগ-সহ ৫ লক্ষণে সতর্ক হোন অভিভাবকরা

শিশুরা অনেক সময় নিজেদের শারীরিক অসুবিধা বা ব্যথার কথা স্পষ্ট করে বলতে পারে না। ফলে শরীরে কোনও রোগের প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলেও তা অভিভাবকদের নজর এড়িয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে লিভারের সমস্যার ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, প্রথম দিকে রোগ শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসা অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের মধ্যে লিভারজনিত রোগের প্রবণতা বাড়ছে। অতিরিক্ত ওজন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার নানা পরিবর্তনের কারণে অনেক শিশু লিভারের বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে। তাই কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন।

১. ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া

Lifestyle: সন্তানের লিভার সুস্থ তো? চুলকানি, কালশিটে দাগ-সহ ৫ লক্ষণে সতর্ক হোন অভিভাবকরা
Lifestyle: সন্তানের লিভার সুস্থ তো? চুলকানি, কালশিটে দাগ-সহ ৫ লক্ষণে সতর্ক হোন অভিভাবকরা

লিভারের সমস্যার অন্যতম পরিচিত লক্ষণ হল জন্ডিস। এ ক্ষেত্রে শিশুর চোখের সাদা অংশ হলদেটে দেখাতে পারে। ত্বকেও হলুদ আভা ফুটে উঠতে পারে। অনেক সময় মলের রং স্বাভাবিকের তুলনায় ফ্যাকাশে হয়ে যায়। এই ধরনের পরিবর্তন দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

২. অস্বাভাবিক ক্লান্তি ও দুর্বলতা
শিশু যদি আগের মতো খেলাধুলা করতে না চায়, সব সময় ক্লান্ত দেখায় বা অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব থাকে, তবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। দীর্ঘ দিন ধরে শক্তি কমে যাওয়া বা দৈনন্দিন কাজে অনীহা লিভারের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

৩. খিদে কমে যাওয়া
লিভারের অসুস্থতার কারণে অনেক শিশুর খাবারের প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে। প্রিয় খাবারও খেতে না চাওয়া, অল্প খেলেই পেট ভরে যাওয়ার অনুভূতি, ওজন না বাড়া বা কমে যাওয়া— এসব লক্ষণ উপেক্ষা করা ঠিক নয়। দীর্ঘ সময় ধরে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

৪. সহজে কালশিটে দাগ বা রক্তপাত
লিভার শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান তৈরি করে। তাই লিভার সঠিকভাবে কাজ না করলে সামান্য আঘাতেই শরীরে কালশিটে দাগ পড়তে পারে। অনেক ক্ষেত্রে রক্তপাত বন্ধ হতেও বেশি সময় লাগে। পাশাপাশি পা বা শরীরের অন্য অংশ ফুলে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

৫. কারণহীন চুলকানি
ত্বকে দৃশ্যমান কোনও সমস্যা না থাকলেও অনেক সময় সারা শরীরে চুলকানি হতে পারে। এই উপসর্গকে সাধারণ অ্যালার্জি ভেবে এড়িয়ে গেলে ভুল হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এটি লিভারের সমস্যারও ইঙ্গিত দেয়।

কেন সচেতন থাকা জরুরি?
লিভারের রোগ শুরুতেই শনাক্ত করা গেলে জটিলতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। তাই শিশুর আচরণ, খাওয়াদাওয়া, শারীরিক পরিবর্তন এবং দৈনন্দিন সক্রিয়তার দিকে অভিভাবকদের নজর রাখা প্রয়োজন। উপরোক্ত কোনও লক্ষণ দীর্ঘ দিন ধরে দেখা গেলে দেরি না করে শিশু বিশেষজ্ঞ বা লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ।
শিশুর সুস্থ বিকাশের জন্য লিভারের স্বাস্থ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সামান্য উপসর্গকেও অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসা করানোই হতে পারে বড় বিপদ এড়ানোর উপায়।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক