তৃণমূলে নতুন ধাক্কা! সংখ্যালঘু সেলের সভাপতির পদ ছাড়লেন মোশারফ

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ফের রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। দলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন ইটাহারের বিধায়ক মোশারফ হোসেন। বিধানসভার বাজেট অধিবেশন চলাকালীন নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। এরপর থেকেই জেলা এবং রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।

মোশারফ হোসেনের দাবি, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণেই তিনি এই পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, বৃদ্ধা মায়ের দেখাশোনা, নিজের শারীরিক অসুস্থতা এবং অন্যান্য পারিবারিক দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে তিনি সাংগঠনিক কাজে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছিলেন না। সংখ্যালঘু সেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে থেকে প্রয়োজনীয় সময় দিতে না পারায় দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়াই তিনি শ্রেয় বলে মনে করেছেন।

তবে তাঁর পদত্যাগকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে অন্য জল্পনাও উসকে উঠেছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মোশারফ স্বীকার করেন যে, বিধানসভার স্পিকারের স্বীকৃত বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের একটি গোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। যদিও তিনি ভবিষ্যতে ওই শিবিরে যোগদান করবেন কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও মন্তব্য করেননি।

তিনি জানান, দলের কাছে ইতিমধ্যেই নিজের পদত্যাগের কথা জানিয়ে দিয়েছেন। তাঁর মতে, যখন কোনও দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা সম্ভব হয় না, তখন পদে থেকে যাওয়ার বিশেষ অর্থ থাকে না।

এদিকে সাংবাদিক বৈঠকে মোশারফ হোসেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও করেন। তিনি বলেন, অতীত থেকেই শুভেন্দুর সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও সেই সম্পর্ক বজায় রাখতে চান। পাশাপাশি রাজ্যের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি নিজের ভূমিকা রাখতে আগ্রহী বলে জানান।

সব মিলিয়ে, সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সভাপতির পদ থেকে মোশারফ হোসেনের ইস্তফা তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে। তাঁর পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে এবং তিনি ভবিষ্যতে কোনও নতুন সিদ্ধান্ত নেন কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক