Lifestyle: রান্নাঘরের এই ৪ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসই ডেকে আনতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি! নিরাপদ বিকল্প জানুন

শুধু টাটকা ও পুষ্টিকর উপকরণ ব্যবহার করলেই যে খাবার সম্পূর্ণ নিরাপদ হবে, এমন নয়। রান্না বা খাবার সংরক্ষণের জন্য যে পাত্র ও সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়, সেগুলিও খাবারের গুণমান এবং স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত বা অনুপযুক্ত কিছু কিচেন সামগ্রী থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিক, ধাতব কণা কিংবা মাইক্রোপ্লাস্টিক খাবারের সঙ্গে মিশে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই রান্নাঘরের কয়েকটি বহুল ব্যবহৃত জিনিস সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

১. নন-স্টিক প্যান
নন-স্টিক প্যান রান্নার কাজ সহজ করলেও এটি ব্যবহারের কিছু নিয়ম রয়েছে। খুব বেশি তাপমাত্রায় গরম করলে এর আবরণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আবার প্যানের গায়ে আঁচড় বা স্ক্র্যাচ পড়ে গেলে আবরণের কিছু রাসায়নিক খাবারের সঙ্গে মিশে যেতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের রাসায়নিক শরীরের হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

Lifestyle: রান্নাঘরের এই ৪ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসই ডেকে আনতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি! নিরাপদ বিকল্প জানুন
Lifestyle: রান্নাঘরের এই ৪ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসই ডেকে আনতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি! নিরাপদ বিকল্প জানুন

নিরাপদ বিকল্প: স্টেইনলেস স্টিল, কাস্ট আয়রন, কাচ বা সিরামিকের রান্নার পাত্র ব্যবহার করা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ।

২. অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল
খাবার মোড়ানো বা বেকিংয়ের কাজে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল বহুল ব্যবহৃত। তবে খুব গরম, টক বা অম্লীয় খাবার দীর্ঘক্ষণ এতে রাখলে অল্প পরিমাণ অ্যালুমিনিয়াম খাবারে মিশে যেতে পারে। অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি স্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। পাশাপাশি অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল সহজে পচনশীল নয়, ফলে পরিবেশের উপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

নিরাপদ বিকল্প: বেকিংয়ের জন্য পার্চমেন্ট পেপার এবং খাবার গরম বা সংরক্ষণের জন্য কাচ কিংবা খাদ্য-গ্রেড সিলিকনের পাত্র ব্যবহার করা ভালো।

৩. প্লাস্টিকের খাবারের পাত্র
সব ধরনের প্লাস্টিকের পাত্র সমান নিরাপদ নয়। নিম্নমানের বা বহুদিনের পুরোনো প্লাস্টিক থেকে বিপিএ (BPA), বিপিএস (BPS) এবং ফথ্যালেটসের মতো রাসায়নিক বেরিয়ে আসতে পারে। বিশেষ করে গরম, তৈলাক্ত বা টক খাবার রাখলে অথবা মাইক্রোওয়েভে গরম করলে এই ঝুঁকি আরও বাড়ে। এসব রাসায়নিক শরীরের হরমোনের ভারসাম্য, প্রজনন স্বাস্থ্য এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো রঙের কিছু প্লাস্টিকের পাত্র পুনর্ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক বর্জ্য থেকে তৈরি হওয়ায় অতিরিক্ত সতর্ক থাকা উচিত।

নিরাপদ বিকল্প: কাচ, সিরামিক বা স্টেইনলেস স্টিলের পাত্র ব্যবহার করুন। প্লাস্টিকের পাত্রে ‘মাইক্রোওয়েভ সেফ’ লেখা থাকলেও তাতে খাবার গরম না করাই ভালো।

৪. প্লাস্টিকের চপিং বোর্ড
প্রতিদিন ছুরি দিয়ে কাটাকাটি করার ফলে প্লাস্টিকের চপিং বোর্ড ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকে। এর ফলে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিক খাবারের সঙ্গে মিশে যেতে পারে। গবেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করলে প্রদাহসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

নিরাপদ বিকল্প: ভালো মানের কাঠের চপিং বোর্ড ব্যবহার করা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ এবং দীর্ঘস্থায়ী।

সচেতন থাকলেই ঝুঁকি কমবে
রান্নাঘরের সরঞ্জাম নিয়মিত পরীক্ষা করা, ক্ষতিগ্রস্ত বা পুরোনো পাত্র সময়মতো বদলে ফেলা এবং সঠিক উপায়ে ব্যবহার করাই নিরাপদ রান্নার অন্যতম শর্ত। স্বাস্থ্যকর খাবারের পাশাপাশি নিরাপদ রান্নার সরঞ্জাম বেছে নিলেই পরিবারের সুস্থতা আরও ভালোভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক