আরজি কর কাণ্ডে নয়া মামলায় গ্রেফতার পানিহাটির প্রাক্তন পুরপ্রধান সোমনাথ দে, বেঙ্গালুরু থেকে পাকড়াও

আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার দেহ দ্রুত দাহ করার অভিযোগে দায়ের হওয়া নতুন মামলায় গ্রেফতার করা হল পানিহাটি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সোমনাথ দে-কে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর খোঁজ করছিলেন তদন্তকারীরা। অবশেষে বেঙ্গালুরু থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে এ রাজ্যে এনে ব্যারাকপুর আদালতে হাজির করানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

এই মামলায় সোমনাথ তৃতীয় অভিযুক্ত, যাঁকে গ্রেফতার করা হল। এর আগে পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা নির্যাতিতার প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আরজি করের মহিলা চিকিৎসক-পড়ুয়ার মৃত্যুর পর তাঁর দেহ দ্রুত দাহ করার ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন।

নির্যাতিতার বাবা অভিযোগ করেছিলেন, মেয়ের দেহ তড়িঘড়ি দাহ করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে খড়দহ থানায় এফআইআর দায়ের হয়। মামলায় নির্মল ঘোষকে ওড়িশার পুরীর কাছের একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অন্য দিকে, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কে কলকাতার চিনার পার্কের একটি বাড়ি থেকে পাকড়াও করা হয়। পরবর্তী সময়ে এই মামলায় দু’জনেই জামিন পেয়েছেন। যদিও অন্য একটি মামলায় নির্মল এখনও জেলবন্দি রয়েছেন।

আরও পড়ুন,
DVC Water: পরিস্থিতি দেখেই বড় সিদ্ধান্ত ডিভিসি-র, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে ছাড়া হচ্ছে ১.২০ লক্ষ কিউসেক জল

এফআইআর দায়ের হওয়ার পর থেকেই সোমনাথ দে-র কোনও সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তদন্তকারীদের দাবি, গ্রেফতার এড়াতে তিনি বার বার নিজের আস্তানা বদলাচ্ছিলেন। একই সঙ্গে পরিবর্তন করছিলেন মোবাইল নম্বরও। একাধিক ফোন নম্বর ব্যবহার করে পুলিশের নজর এড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন বলেও সূত্রের খবর।

সোমনাথের ভূমিকা নিয়ে তদন্তকারীদের সন্দেহের অন্যতম কারণ পানিহাটি শ্মশানের রিকুইজিশন। সেখানে তাঁর নাম পাওয়া গিয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই সূত্র ধরেই তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখতে শুরু করেন, নির্যাতিতার দেহ দ্রুত দাহ করার ক্ষেত্রে সোমনাথের কোনও ভূমিকা ছিল কি না।

আরও পড়ুন,
Ram Mandir CEO: রাম মন্দিরের প্রথম CEO অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল, অপারেশন সিঁদুরে ছিলেন ওয়েস্টার্ন কম্যান্ডের দায়িত্বে

উল্লেখ্য, গত ৯ অগস্ট আরজি করের নির্যাতিতা চিকিৎসক-পড়ুয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পানিহাটিতে একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পানিহাটির শ্মশানঘাটে ওই দিন কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখতে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটকে নির্দেশ দেওয়া হয়। তার পরের দিনই থানায় অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতার পরিবার।

আরও পড়ুন,
বৃষ্টি-ধসে বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড, মৃত ৭! বন্ধ ১৭২ রাস্তা, বন্যার আশঙ্কা উত্তরপ্রদেশে, ঝাড়খণ্ডের ১০ জেলায় হড়পা বানের সতর্কতা

পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষ-সহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়। এবার বেঙ্গালুরু থেকে সোমনাথ দে-কে গ্রেফতার করায় সেই তদন্তে আরও এক ধাপ এগোল পুলিশ। দেহ দ্রুত দাহ এবং সম্ভাব্য তথ্যপ্রমাণ লোপাটের ঘটনায় তাঁর ঠিক কী ভূমিকা ছিল, তা এখন তদন্ত করে দেখছেন আধিকারিকরা।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক